শিরোনাম :
দেশের টেলিকম খাতকে আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও ভবিষ্যৎ উপযোগী করে গড়ে তুলতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মানবাধিকার, জনস্বাস্থ্য জবাবদিহি ও শিশুদের ন্যায়বিচার নিয়ে নাগরিক গোলটেবিল আলোচনা লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণে জাসাসকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর ১৭ বছরের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ভেঙে সত্য ইতিহাস তুলে ধরতে হবে :ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল দেশে সুস্থ্য প্রতিযোগিতার বিকাশ হোক, উন্নত প্রযুক্তিবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন শহর গড়ে তুলতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান দেশ গঠনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর, “৪০ কোটি হাত একসঙ্গে কাজ করলে বদলে যাবে বাংলাদেশ” বাংলাদেশে জেএফ-১৭ সিমুলেটর পাঠাল পাকিস্তান : সম্ভাব্য যুদ্ধবিমান চুক্তির আগাম প্রস্তুতি সময়ের কথকথা জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা ইস্যুতে উত্তাল ক্যাম্পাস বৈশ্বিক সংকট ও ঋণের চাপে কঠিন সময় পার করছে দেশ: অর্থমন্ত্রী

দেশের টেলিকম খাতকে আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও ভবিষ্যৎ উপযোগী করে গড়ে তুলতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

জার্মান-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের টেলিকম খাতকে আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও ভবিষ্যৎ উপযোগী করে গড়ে তুলতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বৈষম্য দূর করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও প্রযুক্তিসেবা পৌঁছে দিতে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফ্রি ওয়াইফাই জোন স্থাপন, টেলিকম অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

গতকাল রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল, শাহবাগে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত “টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ: নতুন সরকার কী ভাবছে?” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার টেলিকম খাতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ৫জি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আইওটি ও ক্লাউডভিত্তিক সেবার প্রসারে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেবার মান বৃদ্ধি এবং গ্রাহকবান্ধব ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট, উদ্ভাবন এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিজিটাল সেবার বিস্তার নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

দেশের টেলিকম খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার ৫-জি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে গ্রামীণ পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। এই খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। আগামী ৫ বছরে আইসিটি খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, দেশের জিডিপিতে আইসিটি খাতের অবদান ভবিষ্যতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, স্থিতিশীল করব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু স্পেকট্রাম থেকে রাজস্ব আয় নয়; বরং শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। সাশ্রয়ী স্মার্টফোন, ৫জি, ডাটা সেন্টার, এআই ও সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সঠিক নীতি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে প্রযুক্তিখাত দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।

গোলটেবিল আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রবি’র হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব সাহেদ আলম।

আলোচনায় অংশ নেন লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, মহাসচিব, এমটব। নুরুল কবীর, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। খালেদ আবু নাসের, বাংলাদেশ কম্পিটিশন কমিশনের সাবেক পরিচালক। নুরুল মাবুদ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। তাইমুর রহমান, হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স, বাংলালিংক। ড. লুৎফা আক্তার, অধ্যাপক বুয়েট ও টেলিকম বিশেষজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি’র সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবি। গোলটেবিল আলোচনায় সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন টিআরএনবি’র সভাপতি সমীর কুমার দে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD