শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলা বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে অভিযোগ: তদন্ত শেষে পদক্ষেপের আশ্বাস হাম-রুবেলা প্রতিরোধে বাংলাদেশে ২.১৯ কোটি টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন ব্রাজিলের মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য চার প্রস্তাব পাঠক চাহিদায় সমৃদ্ধ হচ্ছে অনলাইন সাহিত্য খাত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীন-স্পেন যৌথ উদ্যোগ ইন্টারনেট সম্মেলনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অগ্রগতির রূপরেখা বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে পরিবেশ মন্ত্রীর মতবিনিময় স্মার্ট বাংলাদেশের পথে ব্রডব্যান্ডই প্রধান শক্তি-ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬

ইরানে চারটি নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে রাশিয়া

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ইরানে চারটি নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি করেছে রাশিয়া। শুক্রবার ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের হরমোজগান প্রদেশের সিরিক এলাকায় দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত ইরান হরমোজ কোম্পানি ও রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত রসাতম এর মধ্যে এই সমঝোতা হয়। প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১,২৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে, যদিও কাজ শেষ করার নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

বর্তমানে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বুশেহরে কেবল একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রয়েছে, যার উৎপাদন ক্ষমতা ১,০০০ মেগাওয়াট। এটি দেশের চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল বলে বিবেচিত হচ্ছে।

চুক্তিটি এমন সময়ে হলো যখন ইউরোপীয় দেশগুলোর দাবির ভিত্তিতে জাতিসংঘের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ফেরানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি অভিযোগ করছে, ইরান ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করছে। যদিও শুক্রবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে চীন ও রাশিয়া আরও ছয় মাস আলোচনার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছে, এর অনুমোদনের সম্ভাবনা কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পশ্চিমা দেশগুলো বরাবরই দাবি করে আসছে, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। তবে তেহরান দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছে, তাদের কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে, অর্থাৎ বেসামরিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯৯৩ সালে ইরান ও রাশিয়া প্রথম পারমাণবিক সহযোগিতা শুরু করে। সেই চুক্তির ফলেই বুশেহর বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে ওঠে। মূলত এটি জার্মানির প্রকল্প ছিল, কিন্তু ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর জার্মানি কাজ বন্ধ করে দিলে রাশিয়াই তা সম্পন্ন করে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD