নিজস্ব প্রতিবেদক : কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল ১০টার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলনকারীদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী পতাকা মিছিল ও বিক্ষোভ করার জন্য জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ ও পতাকা মিছিল শুরু করার আগে ১৫-২০ জন ছাত্রলীগ নেতা মোটরসাইকেলে করে শহীদ মিনারে আসেন। তারা এসে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেনকে মারধর করেন এবং মোটরসাইকেল দিয়ে তুলে নিয়ে যান।
তবে মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান সানি।
আন্দোলনকারী লুৎফুন্নাহার লিনা এবং লুবনা কাঁদতে কাঁদতে অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আমাদের ভাইদের গায়ে হাত তুলেছে, মারধর করেছে। আমাদের গায়েও হাত দিয়েছে।’
রোববার বিকালে রাজধানীর পরীবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর নাহার নীলা ও শফিউল আলম।
লুৎফর নাহার নীলা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার ঘোষণা অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারি করলে আমরা এ আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াব।
উল্লেখ্য, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা রাশেদ খাঁন নূরকে রোববার গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতার করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।