শিরোনাম :
জার্মানিতে একদিনে পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: দাবানল, কৃষি সংকট, জ্বালানির দাম, গোয়েন্দা সংস্কার ও ফ্রাঙ্কফুর্টে ধর্মঘট পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফরে ক্ষুব্ধ টোকিও, কড়া প্রতিবাদ জাপানের সবুজ উন্নয়নের পথে চীন, প্রকৃতি সুরক্ষায় জোর দিচ্ছেন সি চিন পিং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত

উন্নত দেশগুলোকে তাদের জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পালনের আহ্বান জানালেন পরিবেশ উপদেষ্টা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি উন্নত দেশগুলোকে তাদের জলবায়ু অর্থায়ন এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রতিশ্রুতি পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর প্রতি উন্নত দেশগুলোর সহায়তার প্রতিশ্রুতি পালন করার এখনই সময়।

আজ ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকার গুলশানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আয়োজিত কপ২৯ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপদেষ্টা এ কথা বলেন। ইইউ’র এ অভ্যর্থনার মূল লক্ষ্য ছিল কপ২৯ সম্মেলনের আগে বিভিন্ন দেশ ও অংশীজনের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অসমতাপূর্ণ জলবায়ু চ্যালেঞ্জের বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের মোট কার্বন নিঃসরণে সামান্য অবদান রেখেও জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাব বহন করছে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মুখযোদ্ধা দেশগুলোর বাস্তবতা অনুধাবন করে ন্যায়সংগত সমাধানের প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। বাংলাদেশের সহনশীলতার সাথে বৈশ্বিক সহায়তার সঠিক ও টেকসই সমন্বয় হওয়া উচিত। এছাড়াও তিনি বলেন, তাঁর সরকার জলবায়ু কর্মে যুবসম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতায় সক্রিয় ভূমিকা এবং গ্লোবাল ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতবৃন্দ, পরিবেশ সচিব, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশ সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং যুব জলবায়ু কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি ন্যায়সংগত জলবায়ু সমাধানের প্রয়োজনীয়তার আহ্বানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। এই অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে কপ২৯-এ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে সুরক্ষিত করার আহ্বান জানানো হয়।

 

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD