অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জআমান, বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মহাসচিব ইঞ্জিনয়িার মোঃ ফজলুল হক।
সম্বর্ধনার প্রতিক্রিয়ায় সবুর খান বলেন, সমাজের সংস্কার আজ অত্যাবশ্যক। মানুষ ও মানবতাকে মূল্যায়ন করতে হবে। মর্যাদার দিক দিয়ে ছোট বড় জাত-পাত বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়। বিবেচনা করতে হবে তার অবদান বা কাজকে, তার চরিত্রকে। তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী এবারের আন্দোলন প্রকৃতপক্ষে মাত্র ৪ দিন হয়েছে। এত বড় আন্দোলনের পরও মানুষের চরিত্র আজো বদলায়নি। আজ যারা বিপদে আছে তাদের অবস্থা দেখেও অন্যদের শিক্ষা হয় না। তৃতীয় লিঙ্গের প্রতি সদয় হওয়া এবং তাদের কাজে লাগানোর আহবান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, প্রবীণদের স্বাস্থ্য সেবায় সরকার এবং সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে, যাতায়াত বা চলা ফেরার জন্য প্রবীণদের বিশেষ সুবিধা থাকা উচিত। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় প্রবীণদের জন্য বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ডিভাইস সরবরাহ বা প্রাপ্তির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা দরকার বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
একাকীত্বকে প্রবীণদের একটি বড় সমস্যা বলে চিহ্নিত করে এ থেকে প্রবীণদের মুক্তি দেয়ার জন্য তিনি প্রবীণদের কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন। প্রবীণদের শক্তি আছে, তাদের এই শক্তিকে কাজে লাগাতে প্রপ্রবীণদের স্বার্থে ব্যাপক প্রবীন বান্ধব পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানান।