২০১০ সাল থেকে জার্মানির কালসু শহরে বাংলাদেশ জার্মান সমিতি জার্মানিতে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে বাংলাদেশকে পৃথিবীর মাঝে পরিচিতি করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছরেই জার্মানির কালসু শহরে মেলার আয়োজন করা হয়। এই মেলায় এশিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

বিভিন্ন দেশে তাদের ঐতিহ্যের আলোকে বাহারি রকমের খাবারের স্টল দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি তাদের দেশের সংগীত, নৃত্য, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘বাংলাদেশ জার্মানি সমিতি’ এই সংগঠন বাঙালি ঐতিহ্যের সমন্বয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার স্টল দিয়ে থাকে। বাঙালি খাবারগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে মেলায় আসা দর্শনার্থীদের কাছে তুলে ধরে। খাবারের পাশাপাশি বাংলাদেশের হস্ত ও পোশাক শিল্পকেও তুলে ধরা হয়।

প্রতিবছরে এই মেলাতে বিরাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন দেশের নৃত্যসহ নানান সংস্কৃতি শিল্পকে উপস্থাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ করে প্রবাসে অবস্থানরত নতুন প্রজন্ম বাংলা সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। তারা উৎসাহিত হয়। ২০১০ সাল থেকে প্রবাসে অবস্থানরত বাঙালিরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশকে পৃথিবীর সামনে তুলে ধরছে।
মেলায় ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইউক্রেন ও তুর্কিসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের জার্মানিতে অবস্থানরত প্রবাসীরা তাঁদের নিজ নিজ সমিতির ব্যানার থেকে এই মেলায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। অর্থাৎ এই মেলায় বিভিন্ন দেশের সাহিত্য শিল্প-সংস্কৃতি বিনিময়ের একটা বিরাট প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়।

জার্মানির কালসু শহরে বাংলাদেশ জার্মান সমিতির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান কাজী বশিরুজ্জামান, ২য় ডেপুটি চেয়ারম্যান আমিনুল হক,
ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবুর রহমান, রানা, ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক হক মোতাহরুল, কোষাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ এ. মোহাম্মদ, উপ-কোষাধ্যক্ষ রাসেল আহমেদ সোহেল,সংস্কৃতি সম্পাদক রিমা রহমান,সহকারী সংস্কৃতি ,সচিব লিপিকা আহমেদ, সচিব নোরা রহমান, বৈরাত মুকশেদ, আলী,রহমান মুস্তাফিজুর,খান আশেকুলসহ প্রবাসী বাঙালি সমাজ।