শিরোনাম :
সিয়াং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল অরুণাচল: আকাশপথে বিপুল আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করল ভারত অগ্রহায়ণের আগেই পঞ্চগড়ে শীতের পদধ্বনি: তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নামল ১৫.৪ ডিগ্রিতে কক্সবাজার পর্যন্ত ছুটল মহানগর এক্সপ্রেস: ঢাকা ও মধ্যবর্তী জেলাবাসীর সৈকতযাত্রায় নতুন দিগন্ত টানা তিনবার কোপা ট্রফি জয়: ফুটবলের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়লেন ইয়ামাল মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকারের জিরো টলারেন্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিকের দাফনে বাধা ও গার্ড অব অনার অবমাননা: জাবিতে সাঈদীর কুশপুত্তলিকা দাহ জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত বন্ধু: টোকিওতে সানাইয়ে তাকাইচির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক হেব্রনে চতুর্থ দিনে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান: বাস্তুচ্যুত ২৬০০ ছাড়াল, গ্রেপ্তার ৭০ পারস্পরিক সুবিধা ও আস্থার ভিত্তিতে বহুমুখী সহযোগিতা গভীর করছে চীন ও বেলজিয়াম উত্তেজনার মুখে গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পসারীর দাফন সম্পন্ন

২০২৩ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে চীনের অবদান ছিল ৩০ শতাংশেরও বেশি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৪

চীনের শুল্ক সাধারণ বিভাগ গত শুক্রবার প্রকাশিত পরিসংখ্যানে জানায়, ২০২৩ সালে চীনের আমদানি- রপ্তানির মোট পরিমাণ ছিল ৪১.৭৬ ট্রিলিয়ন ইউয়ান। যা ২০২২ সালের চেয়ে ০.২ শতাংশ বেশি। এ অবস্থায় চীন টানা সাত বছর পণ্য বাণিজ্যে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে বাণিজ্য সংরক্ষণবাদের উত্থান ও ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের গতি বেশ দুর্বল। বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক সত্তার অর্থনীতি হ্রাস পাচ্ছে। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৩ সালে বিশ্ব বাণিজ্যের পরিমাণ ৭.৫ শতাংশ কমেছে। এই পটভূমিতে চীনের আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে। যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি শক্তিশালী উৎসাহ।

চীন বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদনমুখী রাষ্ট্রের সুবিধাজনক ভূমিকা পালন করেছে। ২০২৩ সালে চীনের ২৩.৭৭ ট্রিলিয়ন ইউয়ানের রপ্তানির মধ্যে ২৩.৫১ ট্রিলিয়ন ছিল উৎপাদিত শিল্প। এর মধ্যে সরঞ্জাম উৎপাদন শিল্পের রপ্তানির পরিমাণ ২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা রপ্তানি পরিমাণের প্রায় ৬০ শতাংশ ছিল। বিশেষ করে, জাহাজ ও গাড়ি শিল্প আন্তর্জাতিক সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

বর্তমানে চীনা উৎপাদন ‘চীনা সৃজনশীলতা’ পর্যায়ে উঠে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে চীনের নিজের ব্রান্ডের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৯.৩ শতাংশ বেড়েছে। ‘বিশ্বের কারখানা’ থেকে উদ্ভাবন উচ্চভূমিতে পরিণত হচ্ছে চীন। চীন বিশ্বের জন্য শুধু পণ্য উৎপাদনই করছে না, তবে সহযোগিতা ও অভিন্ন কল্যাণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে চীনের অবদান ছিল ৩০ শতাংশেরও বেশি। চীন এখনো বিশ্ব অর্থনীতির বৃহত্তম চালিকাশক্তি। চীনা অর্থনীতি অব্যাহতভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। যা আমদানি ও রপ্তানির চাহিদা বৃদ্ধি করছে।
এ অবস্থায় ধারাবাহিক উচ্চমানের বৈদেশিক উন্মুক্তকরণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ নির্মাণ নতুন পর্যায়ে উঠেছে, আরসিইপি কার্যকর হয়েছে দুই বছর, চীন-আসিয়ান অবাধ বাণিজ্য এলাকা ৩.০-এর আলোচনা দ্রুততর হচ্ছে। এসব ব্যবস্থা বিশ্বের জন্য মুনাফা ও কল্যাণ বয়ে আনবে।
সূত্র:ছাই-তৌহিদ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD