শিরোনাম :
সিয়াং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল অরুণাচল: আকাশপথে বিপুল আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করল ভারত অগ্রহায়ণের আগেই পঞ্চগড়ে শীতের পদধ্বনি: তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নামল ১৫.৪ ডিগ্রিতে কক্সবাজার পর্যন্ত ছুটল মহানগর এক্সপ্রেস: ঢাকা ও মধ্যবর্তী জেলাবাসীর সৈকতযাত্রায় নতুন দিগন্ত টানা তিনবার কোপা ট্রফি জয়: ফুটবলের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়লেন ইয়ামাল মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকারের জিরো টলারেন্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিকের দাফনে বাধা ও গার্ড অব অনার অবমাননা: জাবিতে সাঈদীর কুশপুত্তলিকা দাহ জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত বন্ধু: টোকিওতে সানাইয়ে তাকাইচির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক হেব্রনে চতুর্থ দিনে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান: বাস্তুচ্যুত ২৬০০ ছাড়াল, গ্রেপ্তার ৭০ পারস্পরিক সুবিধা ও আস্থার ভিত্তিতে বহুমুখী সহযোগিতা গভীর করছে চীন ও বেলজিয়াম উত্তেজনার মুখে গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পসারীর দাফন সম্পন্ন

বেইজিংয়ে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সি’র বৈঠক

আকাশ:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৪

১০ই জানুয়ারি বুধবার বিকালে, বেইজিংয়ের গণমহাভবনে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মালদ্বীপের সফররত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ মুইজুর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে সি বলেন, প্রেসিডেন্ট মুইজু কয়েক বার চীন সফর করেছেন। তিনি দু’দেশের বন্ধুত্ব জোরদারে এবং দু’দেশের মধ্যে ‘বেল্ট আ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের আওতায় সহযোগিতা এগিয়ে নিতে কাজ করে আসছেন। তিনি হচ্ছেন চীনের পুরাতন বন্ধু।
প্রেসিডেন্ট সি বলেন, প্রেসিডেন্ট মুইজু হচ্ছেন নতুন বছরে চীন সফরকারী প্রথম বিদেশী রাষ্ট্রনেতা। আবার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রেসিডেন্ট মুইজুর প্রথম বিদেশ সফরও এটি। এতে দু’দেশের সম্পর্কের গুরুত্ব উপলব্ধি করা যায়।

প্রেসিডেন্ট সি বলেন, চীন ও মালদ্বীপ হচ্ছে একে অপরের বন্ধু ও সুপ্রতিবেশী। ৬০০ বছর আগে, চীনের মিং রাজবংশের চেং হ্য মালদ্বীপ সফর করেছিলেন। পাশাপাশি, দু’দেশের জনগণ প্রাচীন রেশমপথের মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল। এদিকে, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর বিগত ৫২ বছর ধরে, দু’দেশ সবসময় এক অপরকে সম্মান ও সমর্থন করে আসছে।

সি চিন পিং ২০১৪ সালে মালদ্বীপে তার রাষ্ট্রীয় সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, তখন দু’দেশের মধ্যে সার্বিক বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে ঐকমত্য হয়েছিল। এরপর, বিগত ১০ বছরে, দু’দেশের সম্পর্ক গভীরতর হয়েছে। ‘বেল্ট আ্যন্ড রোড’ উদ্যোগের আওতায় দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা থেকে অনেক সুফলও অর্জিত হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট সি আরও বলেন, তিনি মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যৌথভাবে দু’দেশের সম্পর্কের আরও উন্নয়নের জন্য নতুন পরিকল্পনা করতে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ইচ্ছুক।
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD