ফ্রাঙ্কফুর্টের বইমেলা হলো আন্তর্জাতিক প্রকাশনা শিল্পের বৃহত্তম গ্রন্থমেলা।ফ্রাঙ্কফুর্টের এই বইমেলা হলো বাণিজ্যিকভাবে বই প্রদর্শনের একটি আন্তর্জাতিক আয়োজন।যা প্রতিবছর জার্মানীর ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতি বছর অক্টোবর মাসে আয়োজিত হয় জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা। বিশ্ববিখ্যাত এই বইমেলার সময়সীমা সাধারণত পাঁচ দিন। ৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্রাঙ্কফুর্ট ধরে রেখেছে তাঁর এই জনপ্রিয়তা। মহামারীর কারণে গত বছর বইমেলা ডিজিটালি অনুষ্ঠিত হয়।
মূলত এই বই প্রদর্শনীতে লেখক, প্রকাশক ও পুস্তক বিপণনকারীদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তৈরীর একটা বাণিজ্যিক মিলনমেলা।
বিশ্বজুড়ে প্রকাশনা পেশাদাররা এখানে তথ্য প্রযুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক শিল্পের অংশীদারদের সাথে মিলিত হয়। ১৯৭৬ সাল থেকে বইমেলায় একজন অতিথি আনার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ফ্রাঙ্কফুর্ট আন্তর্জাতিক বইমেলা জার্মান প্রকাশকদের অংশগ্রহণে বিশ্বের বই প্রকাশকদের আমন্ত্রণে আয়োজিত হয়।
ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা যে শুধু বইপ্রিয়দের জন্য মূল ইভেন্ট হয় তা নয়, বই বিক্রেতাদের জন্যও প্রচারের অন্যতম জায়গা। আন্তর্জাতিকভাবে প্রকাশনার অধিকার ও লাইসেন্স ফি-এর মতো সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয় এখানেই। মেলায় উপস্থিত থাকেন প্রকাশক, এজেন্ট, লেখক, চলচ্চিত্র প্রযোজক, অনুবাদক, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন থেকে প্রতিনিধি সবাই।
তবে উল্লেখ্য যে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ফ্রাঙ্কফুর্টের গ্রন্থমেলায় জাঁকজমকপূর্ণের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। বিগত কয়েক বছরের করোনা মহামারী, সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও ভিসা জটিলতার কারণে বিশেষ করে এশিয়া মহাদেশের প্রকাশনীগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের অভাব রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে একটি মাত্র প্রকাশনী ফ্রাঙ্কফুর্ট মেলায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ গ্রহণ করেছেন।

বার্লিন,বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মাশিয়াল কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, সহকারী উপ-সচিব শিল্পী রানী রায়,বাবু সরদার, এডভোকেট ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমেন সাহা, ফরিদ আহমেদ (জাগ্রকে), লেখক খান লিটন, একুশে পদক প্রাপ্ত ,সাংবাদিক ও লেখক নাজমুননেচ্ছা পিয়ারী, গণমাধ্যমে কর্মী বাহারসহ আরো অনেক বই প্রেমী বাঙালি উপস্থিত ছিলেন।
এবারের ৭৪তম ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় পারিজাত প্রকাশনী থেকে সাংবাদিক খান লিটনের লেখা “জগাখিচুরি দুই” বইটি দেখা গেলো ।