শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলা বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে অভিযোগ: তদন্ত শেষে পদক্ষেপের আশ্বাস হাম-রুবেলা প্রতিরোধে বাংলাদেশে ২.১৯ কোটি টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন ব্রাজিলের মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য চার প্রস্তাব পাঠক চাহিদায় সমৃদ্ধ হচ্ছে অনলাইন সাহিত্য খাত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীন-স্পেন যৌথ উদ্যোগ ইন্টারনেট সম্মেলনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অগ্রগতির রূপরেখা বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে পরিবেশ মন্ত্রীর মতবিনিময় স্মার্ট বাংলাদেশের পথে ব্রডব্যান্ডই প্রধান শক্তি-ব্রডব্যান্ড এক্সপো ২০২৬

জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “সাজেদ ফাতেমী”

germanbanglanewsdesk
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২
জার্মানবাংলা২৪ ডটকম এর ভার্চুয়াল‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র আড্ডায় এবার থাকছেন  কণ্ঠশিল্পী “সাজেদ ফাতেমী” আগামী ১০ই জানুয়ারী সোমবার জার্মানির সময় সন্ধ্যা ৬টা এবং বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় এই গুণী শিল্পীর অংশগ্রহণে ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’ অনুষ্ঠিত হবে।
এক নজরে “সাজেদ ফাতেমী”
গীতিকার, সুরকার, উপস্থাপক, গায়ক ও সাংবাদিক সাজেদ ফাতেমীর উল্লেখযোগ্য কিছু কাজ সাজেদ ফাতেমী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পড়াশোনা করেছেন। গান করছেন ৩৭ বছর থেকে। পাশাপাশি সাংবাদিকতা করছেন ২৫ বছর পেরিয়েছে। এ দেশের লোকগানের জনপ্রিয় ব্যান্ড নকশীকাঁথা’র প্রতিষ্ঠাতা ভোকাল তিনি। এসএসসি ও এইচএসসি লালমনিরহাট থেকে। অনার্স ও মাস্টার্স জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বর্তমানে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ পরিচালক ।
পেশাগত জীবনের ২৫ বছরের পুরো সময়জুড়ে চাকরি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড এবং গান-বাজনা চলছে সমানে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে (১৯৯৩-১৯৯৯) ছয় বছর এবং তারও পরে আরও ছয় বছর- সব মিলিয়ে মোট ১২ বছর থিয়েটার করেছেন সক্রিয়ভাবে। এই সময়ে ২০টি মঞ্চ নাটকে অভিনয় এবং চারটি মঞ্চ নাটকের নির্দেশনা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করার পর ১৯৯৯ সালের নভেম্বরে গড়ে তোলেন নাটকের এনজিও থিয়েটার ফর রিসার্চ এডুকেশন অ্যান্ড এম্পাওয়ারমেন্ট-ট্রি। এই ট্রি নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে নানান সামাজিক সংকট মোকাবিলায় মোটিভেশনাল নাটক ও গান করে বেরিয়েছেন সাত বছর (১৯৯৯-২০০৬)। ডেঙ্গু, এইডস, সর্বনাশা মাদক, নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য, কিশোরী স্বাস্থ্য, বর্ণবাদ, পারিবারিক সহিংসতা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সহিষ্ণুতা, পরিবেশ, দুর্নীতি, মানবাধিকার- ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মঞ্চস্থ করা তাদের সচেতনতামূলক নাটকগুলো সে সময় দারুণ সাড়া ফেলেছিল।
হকাররা হাটে-মাঠে-ঘাটে যেভাবে মলম তাবিজ বিক্রি করে, তিনিও ঠিক সেভাবে তার দল নিয়ে বিভিন্ন বস্তিতে, পতিতা পল্লিতে, গ্রামের কারও বাড়ির উঠোনে, হাটে, বাজারে গিয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য নাটক করেছেন। ব্যান্ড গঠন ‘স্টারলিট’ নামে প্রথম ব্যান্ড গঠন করেন ১৯৮৯ সালে কলেজে পড়ার সময়, লালমনিরহাটে। সেই ব্যান্ড নিয়ে বছর দুয়েক অনেক কনসার্ট করেছেন। ২০০৩ সালে সলো গানের ক্যারিয়ার শুরু করেন। নানান সামাজিক সংকট মোকাবিলায় জনসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াস থেকেই ২০০৭ সালে এসে আবার ব্যান্ড গঠন করেন। নাম দেন ‘গানওয়ালা। ২০১০ সালে ‘গানওয়ালা’ নাম পরিবর্তন করে ব্যান্ডের নাম রাখেন ‘নকশীকাঁথা’।
পেশাগত সংগীতজীবনের ১৯ বছরে সাজেদ ফাতেমীর একক দুটি এবং তার লেখা, সুর ও আয়োজনে মোট ১১টি অডিও অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে তার প্রথম একক অডিও অ্যালবাম ‘কতদিন তোমাকে দেখি না’ প্রকাশিত হয় সঙ্গীতা থেকে। সেই অ্যালবাম সুপারহিট হওয়ায় ২০০৪ সালের শুরুর দিকে এনটিভি থেকে তার ডাক পড়ে বাউল গান নিয়ে টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনার। সেই থেকে দেশের ছয়টি জনপ্রিয় টেলিভিশনে বাউল গানের সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন টানা প্রায় ১৪ বছর। সে সময় সারা দেশ ঘুরে ঘুরে বাউল শিল্পীদের জীবন, গান ও তাদের বাউল হয়ে ওঠার গল্পগুলো তুলে এনেছেন এসব টেলিভিশনের পর্দায়। ২০০৪ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত এনটিভিতে ‘মন আমার সন্ধান করি’ শিরোনামে বাউল গানের অনুষ্ঠান উপস্থাপনা। এরপর বাউল গান নিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনে ‘জীবন এতো ছোট ক্যানে, বিটিভিতে ‘অনুসন্ধান, সময় টিভিতে ‘অন্তরে অচিন পাখি, সংসদ টিভিতে ‘প্রান্তরের গান’ এবং গাজী টিভিতে ‘ফোক ফিউশন’ শিরোনামে গবেষণামূলক ধারাবাহিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্টে নকশীকাঁথা ২০১৮ সালে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্টে ’নকশীকাঁথা’ ব্যান্ড নিয়ে অংশগ্রহণ করেন সাজেদ ফাতেমী।
এ ছাড়া, দেশ-বিদেশের অনেক স্থানে নিয়মিত কনসার্ট করে বেড়ায় নকশীকাঁথা। বিবিসি জরিপে নির্বাচিত গানের অ্যালবাম দুই বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গান নির্বাচন করার জন্য ২০০৬ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে বিবিসি একটি জরিপ চালায়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী বাংলা ভাষাভাষীরা জরিপে অংশ নিয়ে ২০ টি গান নির্বাচন করে। সেই গানগুলো নিয়ে বিবিসি সে বছর বাংলাদেশের জাতীয় পত্রিকাগুলোতে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই ২০ টি গানের মূল গায়ক, গীতিকার ও সুরকারদের অনুমতি নিয়ে সাজেদ ফাতেমীর গবেষণা ও পরিকল্পনায় ‘মানুষ মানুষের জন্য’ ও ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ শিরোনামে একই মোড়কে দুটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয় একই বছর ১৫ জুলাই। অ্যালবাম দুটি স্পন্সর করে বেক্সিমকো ফার্মা। মা ও বাবাকে নিয়ে অ্যালবাম সাজেদ ফাতেমীর লেখা ও সুরে ২০০৯ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক মা দিবসে শুধু মাকে নিয়ে গানের মিক্সড অ্যালবাম ‘মা জননী’ প্রকাশ করে সঙ্গীতা। অ্যালবামে গান করেন তপন চৌধুরী, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, ফজলুর রহমান বাবু, ফকির শাহাবুদ্দিন, সাজেদ ফাতেমী, সন্দীপন, সোনিয়া ও প্রতীক হাসান। শুধু মাকে নিয়ে তার লেখা ও সুরে আরও একটি মিক্সড অ্যালবাম ২০১৫ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক মা দিবসে প্রকাশ করে লেজারভিশন। ‘আগলে রেখো মাকে’ শিরোনামে ওই অ্যালবামে সৈয়দ আব্দুল হাদী, সুবীর নন্দী, ন্যান্সিসহ বিখ্যাত শিল্পীরা গান করেন। ২০১০ সালের জুন মাসে বিশ্ব বাবা দিবসে সাজেদ ফাতেমীর লেখা ও সুরে ‘পিতা’ শিরোনামে শুধু বাবাকে নিয়ে গানের মিক্সড অ্যালবাম প্রকাশ করে গানচিল।
এটিও শুধু বাবাকে নিয়ে গানের প্রথম অ্যালবাম। অডিও ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে প্রথম ‘গানমেলা’ বাংলাদেশের অডিও ইন্ডাস্ট্রির ৪০ বছরের ইতিহাসে এ কাজটি হয়নি। ২০১৫ সালে সেই কাজ করেন সাজেদ ফাতেমী। সে বছর ১০ দিনব্যাপী ‘গানমেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা একাডেমীর বই মেলার আদলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মাঠে ওই মেলা বসেছিল ১০-১৮ এপ্রিল। গানমেলা আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল দেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত সকল পর্যায়ের মানুষকে একই ছাতার তলে নিয়ে আসা। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইবি) আয়োজনে ওই গানমেলার পরিকল্পনা ও সমন্বয়কারী ছিলেন সাজেদ ফাতেমী। এতো বড় আয়োজনের সমন্বয়কারী হিসেবে মেলা চলাকালেই ভয়েস অব আমেরিকা ও বিবিসি বাংলায় তার সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়। বঙ্গবন্ধু, পুলিশবাহিনী ও অন্যান্য বিষয়ে থিম সং বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ পুলিশবাহিনী ও অন্যান্য বিষয়ে বিভিন্ন থিম সং তৈরি করেছেন ও গেয়েছেন সাজেদ ফাতেমী। ২০১৭ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের থিম সং এবং বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ গান করেছেন । ২০১৮ সালে নৌবাহিনীর জন্য গান বানিয়েছেন। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দুটি গান তৈরি করেন। মার্চে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে একটি এবং আগস্টে জাতীয় শোক দিবসের প্রাক্কালে একটি। বাংলাভাষার দুর্গতি নিয়ে একই বছর ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়েছে একটি গান। ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি পুলিশ বাহিনীর করোনাযোদ্ধাদের নিয়ে তার লেখা, সুর করা ও গাওয়া বিশেষ একটি গানের ভিডিও প্রকাশ করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী।

প্রতি সপ্তাহের মতো এবারও ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র পরিচালনায় থাকছেন ‘জার্মানবাংলা২৪ ডটকম’ অনলাইন নিউজ পোর্টাল – এর নির্বাহী সম্পাদক “জুয়েল হাসান ” এবং উপস্থাপনায় থাকছেন জার্মানবাংলা২৪ ডটকম’ অনলাইন নিউজ পোর্টাল – এর সম্পাদক ও প্রকাশক ”ফাতেমা রুমা”

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের নিয়ম জার্মানবাংলা২৪ ডটকম মিউজিক্যাল লাইভ শো’তে জার্মানির বিভিন্ন লাইফ স্টাইল নিয়ে প্রতিবারের মতো সরাসরি শ্রেুাতাদের প্রশ্ন করা ও ইনবক্সে প্রশ্ন পাঠানোর সুযোগ রয়েছে। শ্রেুাতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন ফাতেমা রুমা।

জার্মানবাংলা২৪ ডটকম এর এই জনপ্রিয় ভার্চুয়াল ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’ আড্ডায় অংশ নিতে সকলকে আমন্ত্রণ জানান আয়োজকরা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD