শিরোনাম :
তীব্র তাপপ্রবাহে ইতালিতে মৃত ৫, তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর আশঙ্কা মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ‘প্রকৃত দায়ী কে, তা হয়তো জানা যাবে না’ পরপর দুই শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, নিহত ১৬৪ গাজায় শিশু হত্যাকে যুদ্ধাপরাধ বলছে জাতিসংঘ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তারেক রহমানের সফরে কৌশলগত অংশীদারত্বে নতুন গতি আসবে বাংলাদেশি নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্রেই আন্তর্জাতিক পুরস্কার টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের নতুন পথ খুঁজছে দাভোস ফোরাম ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে ভেনামি চিংড়ি হতে পারে নতুন চালিকাশক্তি

মাদক নির্মূলে কঠোর মনোভাব প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩১ মে, ২০১৮

জার্মান-বাংলা ডেস্ক: মাদক নির্মূলে চলমান অভিযানে নিজের কঠোর মনোভাবের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি। কেউ ছাড় পাবে না। ভারত সফর শেষে বুধবার (৩০ মে) গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে বন্দুকের ব্যবহার হচ্ছে, আপনার এর আইনগত দিক থেকে বলবেন এটা ঠিক। কিন্তু মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে গেলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এটাকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার হলে বিচার হয়। নিরীহ মানুষ এর শিকার হলে আমরা ব্যবস্থা নেব।
এসময় সাংবাকিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যদি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটাই বড় করে দেখান, তাহলে বলেন অভিযান বন্ধ করে দেই। তাহলে সমাজ কিভাবে ভালো থাকবে! ছেলে মা-বাবাকে, ভাই ভাই-বোনকে হত্যা করছে- এর সবই মাদকের জন্য। আপনারা এগুলো নিয়ে পত্রপত্রিকায় লিখেছেন- মাদক সমাজে ব্যাধির মত। যখন অভিযান চলছে, এখন আবার আপনারা পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ শুরু করেছেন।
মাদকের গডফাদাররা অভিযানের আওতায় আসবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, কে গডফাদার, কে ডন এটা আমরা বিচার করছি না। আমরা চাই মাদক নির্মূল হোক। দীর্ঘদিন গোয়েন্দা সংস্থা এনিয়ে কাজ করছে। আমরা হঠাৎ করে এই অভিযানে যাইনি।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের নজরদারির পর আমরা অভিযানে গেছি। যেই গডফাদার হোক, অভিযানের আওতায় আসবে। কে কার ভাই কার কী আমি দেখি না। আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি- আপনারা জানেন। তাই কেউ ছাড় পাবে না।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দুই নিকটতম প্রতিবেশী দেশ। আমি মনে করি, এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। শন্তিনিকেতনে স্থাপিত বাংলাদেশ ভবন উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD