শিরোনাম :
টেকসই প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতার নতুন দিকনির্দেশনা ২৮তম শাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, পাঁচ বছরে ২৪ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলে ইতিহাস গড়লেন মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে অভিযোগ: ঢাবির তিন শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, আরও দুজনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে সুরের মিলনমেলা, দুই দিনের আয়োজন শেষ করল সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ ফ্রান্সে রেকর্ড দাবদাহে দুই দিনে প্রাণ গেল ১৮ জনের নতুন এল নিনোর প্রভাবে বিপর্যয়ের আশঙ্কা, উষ্ণ হতে পারে ২০২৭ সাল সাড়ে তিন মাস পর হরমুজ প্রণালি পেরোল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয়, নকআউট নিশ্চিত করল নরওয়ে

মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন ৬ বছর ধরে প্যাকেট বদ্ধ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৬ মে, ২০১৮

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: সনোলজিষ্ট না থাকায় মদন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের প্যাকেট ৬ বছরেও খোলা হয়নি । প্রয়োজনীও টেকনেশিয়ানের অভাবে দীর্ঘ দিন ধরে এক্সরে মেশিন, ইসিজি মেশিন এ ভাবেই পড়ে নষ্ট হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করছেন স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি নিজেই রোগী।
হাসপাতালে সকল যন্ত্রপাতি সরবরাহ থাকলেও টেকনেশিয়ানের অভাবে হাসপাতালে আগত সকল রোগীদেরকে সকল প্রকার পরীক্ষার জন্য প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে প্রেরণ করা হয়। ফলে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসার উপর আস্থা হারিয়ে ঝোকে পড়ছে ক্লিনিক গুলোর দিকে।
২৯ জন ডাক্তারের মধ্যে মদনে কর্মরত রয়েছে ৬ জন ডাক্তার। তারাও আবার প্রতিদিন আসেন না বলে ভর্তিকৃত রোগীদের অভিযোগ। এ উপজেলার দুই লাখ, আটপাড়া,খালিয়াজুরী উপজেলার অর্ধলাখ লোকের স্বাস্থ্য সেবার একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। এখানে প্রতিদিন তিন থেকে চারশ রোগী সেবা নিতে আসত। বর্তমানে ২০/৩০ জন রোগীও আসে না এ হাসপাতালে। সরকার স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় করলেও এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি জনগণের কোন কাজে আসছে না। এ নিয়ে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের বরাবর অভিযোসহ উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় একাধিক বার উত্তাপন করলেও স্বাস্থ্য সেবার উন্নতি হচ্ছে না।
স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আগত রোগী ফতেপুর গ্রামের আজমান বালালী গ্রামের শিপন মিয়া বলেন, মদন নামেই স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এখানে ব্যবস্থা পত্র ছাড়া অন্য কোনো সেবা পাচ্ছেনা রোগীরা। আগে হাসপাতালে ভিড় থাকতো এখন রোগী আসলেই ডাক্তার পরিক্ষার জন্য প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠায়। গরিব রোগীদের সুবিধার্থে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সকল বিভাগ দ্রæত চালু করা প্রয়োজন।
ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য প্রশাসক ডাক্তার ফজলে বারী ইভান বলেন, সনোলজিষ্ট ও প্রয়োজনীও টেকনেশিয়ানের অভাবে দীর্ঘ দিন ধরে এ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি মেশিন চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD