শিরোনাম :
জাতিসংঘ সফরে ১১ দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের স্বার্থ হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন, টিকা পাবে ৩৪ লাখ শিশু তারেক রহমানের সঙ্গে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব গাজা ইস্যুতে জাতিসংঘে ইসরায়েলের ওপর বাড়ছে চাপ, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে জোর শাংহাই সুপার ফ্যাক্টরিকে ‘রত্ন’ বললেন ইলন মাস্ক গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় সম্মত চীন ও যুক্তরাষ্ট্র এক সপ্তাহের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের, সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির রূপান্তর, ইউনিসেফের সঙ্গে ববি হাজ্জাজের বৈঠক মেসির বিদায়ী ম্যাচে বিশেষ জার্সি, আকাশি-সাদার সঙ্গে সোনালি ছোঁয়া পুলিশ অপরাধে যুক্ত হলে বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি ফৌজদারি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল কিনবে চীন-ভারত

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০১৯

জার্মান-বাংলা ডেস্ক:ইরানের ওপর মার্কিন একতরফা নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে চীনসহ কোনো দেশই স্বাভাবিক উপায়ে তেল আমদানি করতে পারছে না। ফলে সম্প্রতি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরান থেকে প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল তেলের একটি চালান নিয়েছে চীন।এসব দেশের তেল শোধনাগার ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ইরানি তেলের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। সে কারণে ইরান থেকে তেল আমদানি করা চীনসহ অনেক দেশের জন্যই অপরিহার্য। এসব দেশের পক্ষ থেকে আমেরিকার ওপর চাপও রয়েছে।

ইরান থেকে তেল কেনার বিষয়ে চীনকে ছাড় দেয়ার চিন্তা করছে আমেরিকা। এদিকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ভারতও। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে চীন ও ভারতকে ইরান থেকে তেল আমদানির বিষয়ে যেভাবে ছাড় দেয়া হয়েছিল সেভাবে ট্রাম্প প্রশাসনও বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ইরানি গণমাধ্যম বলছে, গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান থেকে যে দেশ তেল আমদানি করবে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

কিন্তু এর পরই আমেরিকার তিনজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান বিষয়ক মার্কিন দূত ব্রায়ান হুক ও তার আলোচক দল ইরান থেকে চীনকে তেল কেনার বিষয়ে ছাড় দেয়ার কথা আন্তরিকভাবে বিবেচনা করছে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্বেও ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি করবে। বুধবার ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি মুরালিধরন এমন কথাই জানিয়েছেন।

এর আগে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার অস্ত্রচুক্তি এবং ইরানের থেকে তেল কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বিশেষ বার্তা নিয়ে গত সপ্তাহে ভারত সফরে এসেছিলেন। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার ব্যাপারে দেশের স্বার্থকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে ভারত। প্রসঙ্গত, ইরানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি তেল কেনে চীন। এরপরের অবস্থানেই রয়েছে ভারত।
ইরান থেকে তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে তেহরানের কাছ থেকে নয়াদিল্লির তেল আমদানি নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। বুধবার লোকসভার অধিবেশনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, ভারত কি ইরানের তেল আমদানি বন্ধ করবে বা চালিয়ে যাবে না। জবাবে মন্ত্রী বলেন, না। সম্পূরক প্রশ্নে কংগ্রেস নেতা আন্তো অ্যান্থনি জানতে চান, এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও চাপ রয়েছে কিনা। জবাবে মুরালিধরন বলেন, ইরানের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিজেদের স্বার্থেই এবং তৃতীয় কোনও দেশ দ্বারা এটা প্রভাবিত না।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD