নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র শিল্পকলা একাডেমীর অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর কবি ও নাট্য লেখক শাহীন রেজা রাসেলের কাব্যগ্রন্থ-‘ মন গহীনে বিরান বাড়ি’ পওয়া যাচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একুশ বই মেলার পেন্সিল প্রকাশনীতে।
গতকাল সন্ধ্যায় বইমেলাতে কবির সাক্ষাৎ পাই প্রথমেই জানতে চেয়েছিলাম কেমন লাগছে বইমেলা, কবি বলেন বইমেলা খুবই ভালো লাগছে বইমেলা বাঙালির প্রাণের মেলা।কবি শাহীন রেজা রাসেল গতবার তিনটি আর এবার একটি মোট চারটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে যার যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৮ সাল থেকে বিভিন্ন প্রকাশনীতে।

পেন্সিল প্রকাশনীর সামনে অনেক ভিড় বইপ্রেমীরা আসছে কেমন লাগছে অনুভূতি প্রসঙ্গে কবি বলেন, অসম্ভব চমৎকার অনুভূতি আসলে বলার ভাষা নেই যারা আমাকে ভালবেসে আমার কবিতাকে ভালবেসে আমার বইকে ভালবেসে বই কিনেছেন তাদের কষ্টের অর্থ দিয়ে তাদের প্রতি আমার বিনম্র কৃতজ্ঞতা।
সামনের বইমেলাতে আরো কিছু কবিতা নিয়ে আরো একটি নতুন কাব্যগ্রন্থ পাঠকদের উপহার দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বইমেলায় পাঠকদের উদ্দেশ্যে কবি বলেন যারা নতুন লেখক তাদের বই বেশী বেশী কিনুন তাহলে কিছু ভালো লেখক ও কিছু ভালো কবি বেরিয়ে আসবে পাঠকরা যদি বই না কেনেন বই না পড়েন তাহলে একজন লেখক বা কবি সফল হতে পারবেন না এজন্য আমি বলব এক্সপেরিমেন্টাল হলেও তরুণদের বই বেশি বেশি কিনুন।
পেন্সিল প্রকাশনীর সদস্যরা যারা দেশের বাইরে আছেন তারা শাহীন রেজা রাসেলের বই দেশের বাইরে প্রচার করবেন বলে তিনি বিশ্বাস রাখেনda

কবিতার পাশাপাশি অন্য লেখার আগ্রহী কিনা এ বিষয়ে প্রশ্ন করাতে তিনি বলেন, আমি মূলত কবিতা ও নাটক লিখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি আমার তিনটি মঞ্চ নাটক ও ১৪ টি পথনাটক আছে ভবিষ্যতে উপন্যাস ও কিছু গল্প লেখার ইচ্ছা আছে।
তরুণ লেখকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন তরুণরা লিখছে আর তরুণদের সম্পর্কে তিনি বলেন আমাদের তরুণদের ভিতরে ভীষণ সম্ভাবনা আছে তারা অনেক সৃষ্টিশীল তারা চাইলে বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গন কে বদলে দিতে পারে।
এবারের বই মেলায় গত ৯ ফেব্রুয়ারিতে মোট ২১৮ টি বই এসেছে যার মধ্যে গল্প, উপন্যাস ও কবিতা অন্যতম। আর বই মেলা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত প্রকাশিত মোট বই এর সংখ্যা ১৩১৩ টি।
৯ ফেব্রুয়ারি, শনিবার অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে ছিল,
সকাল ১০-০০:শিশু-কিশোর সংগীত প্রতিযোগিতার প্রাথমিক নির্বাচন ও সকাল ১০-০০:শিশু-কিশোর সাধারণ জ্ঞান ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার প্রাথমিক নির্বাচন আর বিকেল ৪-০০:সূচনা সংগীত।
আলোচনা অনুষ্ঠানে ছিল লেখক-অনুবাদক আবদুল হক এর জন্মশতবর্ষ শ্রদ্ধাঞ্জলি যেখানে প্রবন্ধকার ছিলেনসৈয়দ আজিজুল হক আর আলোচক ছিলেন অজয় দাশগুপ্ত, সোহরাব হাসান,আহমাদ মাযহার। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন সুব্রত বড়ুয়া। সবশেষে সন্ধ্যায় কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ কবিতা-আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অমর একুশে গ্রন্থমেলা ১লা থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বেলা ১১:০০টা থেকে রাত ৯:০০টা এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৮:০০টা থেকে রাত ৮:৩০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।