শিরোনাম :
সিয়াং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল অরুণাচল: আকাশপথে বিপুল আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করল ভারত অগ্রহায়ণের আগেই পঞ্চগড়ে শীতের পদধ্বনি: তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নামল ১৫.৪ ডিগ্রিতে কক্সবাজার পর্যন্ত ছুটল মহানগর এক্সপ্রেস: ঢাকা ও মধ্যবর্তী জেলাবাসীর সৈকতযাত্রায় নতুন দিগন্ত টানা তিনবার কোপা ট্রফি জয়: ফুটবলের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়লেন ইয়ামাল মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকারের জিরো টলারেন্স: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিকের দাফনে বাধা ও গার্ড অব অনার অবমাননা: জাবিতে সাঈদীর কুশপুত্তলিকা দাহ জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত বন্ধু: টোকিওতে সানাইয়ে তাকাইচির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক হেব্রনে চতুর্থ দিনে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান: বাস্তুচ্যুত ২৬০০ ছাড়াল, গ্রেপ্তার ৭০ পারস্পরিক সুবিধা ও আস্থার ভিত্তিতে বহুমুখী সহযোগিতা গভীর করছে চীন ও বেলজিয়াম উত্তেজনার মুখে গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পসারীর দাফন সম্পন্ন

২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে পাচার ৫০ হাজার কোটি টাকা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০১৯

জার্মানবাংলা রিপোর্ট: কোটি কোটি ডলার নির্বিঘ্নে দেশের বাইরে পাচার করে দেয়া হচ্ছে । এ ক্ষেত্রে সরকারের নানা উদ্যোগ-পদক্ষেপেও কাজে আসছে না। দৃশ্যপটে এমন তথ্যই প্রকাশ করল গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) এর বার্ষিক প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়, শুধু মাত্র ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৫৯০ কোটি ডলার । টাকার অঙ্কে যা প্রায় ৫০ হাজার হাজার কোটি। ২০০৬ থেকে এক দশকে পাচারের পরিমাণ ৫ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা।

সোমবার ২৭ জানুয়ারি ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) এর বার্ষিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। সংস্থাটি বলছে, পাচারকৃত টাকার বড় অংশই গেছে আমদানি-রফতানির সময়ে পণ্যের প্রকৃত দাম গোপন করার মাধ্যমে।

বিশ্বজুড়ে অর্থপাচার নিয়ে প্রায় এক দশক ধরে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি-জিএফআই। সোমবার প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে ১৪৮ উন্নয়নশীল দেশের টাকা পাচারের চিত্র।

জিএফআই’র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয় ৫৯০ কোটি ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। সংস্থাটি বলছে, উন্নত দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ২০ ভাগই পাচার হয়েছে নানা কৌশলে। আমদানি-রফতানি পণ্যের আসল দাম গোপন করে, অর্থ পাচারের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল আছে সরকারও।

জিএফআই’র হিসাবে, ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার বা ৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাংলাদেশের মোট বাজেট ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ, চলতি বছরের মোট বাজেটের চেয়েও বেশি টাকা ১০ বছরে পাচার হয়েছে।

২০১৪ সালে দেশ থেকে পাচার হয় ৮৯৭ কোটি ডলার। অংকের হিসেবে ২০১৫ সালে এর পরিমাণ কমলেও জিএফআই বলছে, এটি আনুমানিক হিসাব। প্রকৃত পাচারের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

পাচারের পাশাপাশি, ২০১৫ সালে অবৈধভাবে দেশে ২৮০ কোটি ডলার আসার তথ্যও দিয়েছে জিএফআই।

সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুসারে, টাকার অংকের দিক দিয়ে ২০১৫ সালে অর্থপাচারে শীর্ষ ৩০ দেশের একটি ছিল বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। জিএফআই বলছে, টাকা পাচারের এ প্রবণতা টেকসই উন্নয়নের বড় বাধা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD