জার্মান বাংলা ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভা ৫০ থেকে ৬৫ সদস্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলপ ধারণা করা হচ্ছে পাশাপাশি রদবদলে থাকছে বিশেষ চমক। টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকবেন, বিভিন্নখাতের কয়েকজন বিশেষজ্ঞও।
আওয়ামী লীগের জেষ্ঠ্য নেতারা বলছেন, ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, উন্নয়নের সক্ষমতা ধরে রাখা এবং শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা এই তিনটি চ্যালেঞ্জকে সামনে নিয়েই মন্ত্রীসভা গঠন করবেন দেশের সবচেয়ে বেশি সময়ের সরকার প্রধান শেখ হাসিনা।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় শেষে বৃহস্পতিবার সংসদ সদস্যদের শপথের পর আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।ঐদিনই প্রধানমন্ত্রী বিকেলে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে মন্ত্রীসভা গঠনের অনুমতি চান। ৭ই জানুয়ারি হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রীসভার শপথ। তবে, কারা হবেন সেই ভাগ্যবান তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম জানান, ‘সবকিছুই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে। আমি মনে করি তাঁর সুচিন্তিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই দেশ একটি সুন্দর ও কার্যকর মন্ত্রীসভা উপহার পাবে।’
মন্ত্রীসভার আকার ও প্রকৃতি সবকিছুই নির্ধারণ করবেন প্রধানমন্ত্রী, এমনটাই জানান দলের নেতারা।
দলটির সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট দক্ষ ও পারদর্শী। আমি মনে করি তিনি সৎ, যোগ্য ও দায়িত্ব পালনে সক্ষম ব্যক্তিদের নিয়েই মন্ত্রীসভা গঠন করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে এ মুহুর্তে যে মেগাপ্রকল্প চলছে এবং সামনেও যেসব প্রকল্প গ্রহণ করা হবে, এগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য বেশ বড় একটি মন্ত্রীসভা দরকার। এজন্য এবারের মন্ত্রীসভার আকার ৫০ এর কাছাকাছি হতে পারে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়েই পরিবর্তন আসতে পারে। বড় বড় প্রকল্পগুলোর জন্য যদি কোনো বিশেষজ্ঞ দরকার হয়, তাহলে তাদেরকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রীসভায় রাখা হতে পারে।