আব্দুর রহিম ফকির নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইল ০১ আসনে ধানের শীষের সমার্থকদের উপর নৌকা সমার্থকদের হামলা, নড়াগাতি থানা বিএনপি নেতার বাড়ী তে লুট অফিস ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ হয়েছে। নড়াগাতি থানা বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান জানান গত ইংরেজী ১৪/১২/২০১৮ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৫ টার সময় দলীয় লোকজন ও কর্মী লইয়া কালিায়া, রামনগরন সাকিনের মিজানুর রহমান বিশ্বাস এর বাড়িতে বসে ৩০ ডিসেম্বর/২০১৮ ধানের শীষের নির্বাচন সক্রান্ত আলাপ কালীন সময়ে আওয়ামীলীগ নেতা উপজেলা চেয়াম্যান সহ নৌকা প্রতিকের সমার্থকরা ২০/৩০জন হাতে দা লাঠি কুড়াল ছুরা আগ্নেয় অস্ত্র, লোহার রড ,হকিস্টিক ইত্যাদি মারাত্বক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাড়ীতে লোহার গেট ভাঙ্গে অ প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। ধানের শীষের নির্বাচন করবার সাধ মিটাইয়া দে ঘরের সমস্ত জানালা দরজা নষ্ট করে এবং ঘরের চালের টিন তছনছ করে প্রায় ২৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে। কাগজ পত্র ও পোষ্টার আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং ঘর থেকে ০৩ লক্ষ পোষ্টার বাহিরে এনে পুড়িয়ে দেয়।
বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ৯৩ নড়াইল-১ জানান আমি জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের একজন প্রার্থী। তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সূচী মোতাবেক আমি আচরন বিধি মেনে প্রচারনা শুরু করার পর আমার প্রতিদ্বন্দী নৌকা প্রতিকের প্রার্থী জনাব কবীরুল হক মুক্তির সমর্থক নেতা কর্মীরা একের পর এক আমার নেতা কর্মীদের উপর হামলা , হুমকী, পোষ্টার ছেড়া, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া অফিস বন্ধ করে দেওয়া, সহ আচরন বিধি ভংঙ্গ করে চলছে।
নড়াগাতী থানা খাশিয়াল বাজারে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা করে গত ইং- ১৪/১২/২০১৮ তারিখ , ভাংচুর ও লুটপাট করে । উক্ত সময় আমার কর্মী মান্নু বিশ্বাসের উপর হামলা করে, সে এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
গত ইং- ১৪/১২/২০১৮ তারিখে আমার কালিয়া¯’ বাসভবনে নৌকা সমর্থকরা হামলা চালিয়ে বাড়ীর প্রায় ২৫,০০,০০০/- ( পচিশ লক্ষ) টাকার ক্ষয় ক্ষতি সাধন করে এবং বাড়ীর ভিতর রক্ষিত ২,০০,০০০/- টাকা নির্বাচনী পোষ্টার সহ আসবাবপত্র পুড়িয়ে দেয়। এমনকি রাতে বাড়ীর বাকী মালামাল লুটপাট করার চেষ্টা করে। দুইটি ঘটনার বিষয় নড়াগাতী ও কালিয়া থানায় মামলা করিতে গেলেও অফিসার ইনচার্জ মামলা নিতে অস্বীকার করেন। অপর দিকে তাদের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় কালিয়া উপজেলা বি.এন.পি এর সভাপতি সরদার আনোয়ার হোসেন সহ ১৭ জনকে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করেছে।
আমার সমর্থকদের নির্বিচারে গ্রেফতার ও তল্লাশী চালিয়ে যাচ্ছে।
ধানের শীষ সমর্থকদের হয়রানী করার লক্ষ্যে পুলিশ কর্মকর্তা বাদী হয়ে প্রচারণা চলাকালিন পর্যন্ত বিভিন্ন ইউনিয়নে ৪টি মামলা হয়েছে যার আসামী সংখ্যা প্রায় দুই শতাধিক।
গত কয়দিনে সিঙ্গেশোলপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী অফিস খোলার চেষ্টা করলে স্হানীয় নৌকা সমর্থক হিটু মোল্যা ও তার অনুসারীরা বাধাদেয় ও হুমকী দিয়ে আসছে, এমনকি নির্বাচন প্রচারনা মাইক ও বন্ধের হুমকি দেয়।
নৌকা সমর্থকদের হামলায় খাশিয়াল বাজারে জাফর , ডাঃ আলতাফ, কবীর, রকিউল, হাবীব, ইকলাছের দোকান ও ছালামাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর মোড়ে ধানের শীষ সমর্থকদের দুইটি দোকান ভাংচুর করে।
গত ইং- ১৫/১২/১৮ তারিখ কালিয়া থানাধীন পেড়লী বাজারে আমার নির্বাচনী অফিস হতে স্হানীয় নৌকা সমর্থক ফুরকার মেম্বার ও তার দল বল চেয়ার টেবিল লুট করে নেয়।
সদর উপজেরার কলোড়া ইউনিয়নের নির্বাচনী অফিস না খুলতে হুমকী দেওয়া হয় এবং বাহিরগ্রাম বাজারে রাতের অন্ধকারে নৌকার নির্বাচনী অফিসে নিজেরাই ষড়যন্ত্র তরে আগুন দিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকার ধানের শীষ সমর্থকদের এলাকা ছাড়া করা হয়েছে।
এছাড়াও সোনা কলাবাড়ীয়া , পহরডাঙ্গা , ভদ্রবিলা, চাচুড়ি , পুরুলিয়া সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে নৌকার সমর্থক নেতাকর্মীরা ধানের শীষের নেতাকর্মীদের পোষ্টার লাগানো , অফিসখোলা, প্রচারনা চালানোর কাজে হুমকী সহ একের পর এক আচারন বিধি লংঘন করে চলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।