শিরোনাম :
ইয়েমেনে জ্বালানি সংকটে পানির সরবরাহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে ১৬ লাখ শিশু ফ্রান্সে প্রশিক্ষণকালে যুদ্ধবিমান ‘মিরাজ ২০০০ডি’ বিধ্বস্ত: পাইলট নিহত, নেভিগেটর নিখোঁজ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ: সিলেটে উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আমিরাত ১ নভেম্বর থেকে সব খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক: নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কড়া নির্দেশনা গুজব ও ধর্মীয় উগ্রতার বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার থাকার ডাক রাষ্ট্রপতির: বঙ্গভবনে বিজয়ার সংবর্ধনা স্বর্ণ চোরাচালানের পর এবার জুলাই আন্দোলনের হত্যাচেষ্টা মামলা: দিলীপ আগরওয়ালার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন অশ্রুসজলে দেবীকে বিদায়ের ক্ষণ: আজ শুভ বিজয়া দশমী, মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুর খেলা ও বিসর্জন জার্মানির স্টুটগার্টের দুর্গাবাড়িতে শারদীয় দুর্গোৎসব: সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী:স্বাক্ষরিত হতে পারে একাধিক সমঝোতা স্মারক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার

নির্বাচন উপলক্ষে স্ট্রাইকিং ফোর্স নামবে ২৪ ডিসেম্বর

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

জার্মানবাংলা রিপোর্ট: আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ২৪ ডিসেম্বর স্ট্রাইকিং ফোর্স নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এবার সংসদ নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বৈঠকে করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ছাড়াও অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, অন্যদিকে ভোট কেন্দ্রের বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা থাকবে। র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দেবেন। তারা ভোট কেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনা কক্ষে ঢুকতে পারবেন না। অবশ্য রিটার্নিং বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা চাইলে স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিমের সদস্যরা প্রয়োজনে ভোট কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। সেনাবাহিনী ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। প্রতি জেলায় ছোট আকারে সেনাবাহিনীর একটি টিম পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়।

নির্বাচনের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, মেট্রোপলিটন এলাকা, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ও বিশেষ এলাকায় (পার্বত্য অঞ্চল, দীপাঞ্চল ও হাওর) পৃথক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়া গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী সহিংসতাপ্রবণ এলাকাগুলোর জন্য থাকবে আলাদা সতর্কমূলক ব্যবস্থা।

মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৪ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ১ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের ১/২ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৫ জন ও অস্ত্রসহ ৩/৪ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ২ জন। অন্যদিকে পার্বত্য এলাকা, হাওড়, দ্বীপঞ্চল কে বিশেষ এলাকা চিহ্নিত করে সেসব এলাকায় পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৫ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ২ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের ১/২ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৬ জন ও অস্ত্রসহ ৪/৫ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ৩ জন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD