জার্মানবাংলা রিপোর্ট: ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফার সাংবিধানিক ও আইনগত দিক বিশ্লেষণের জন্য উভয় পক্ষের বিশেষজ্ঞসহ সীমিত পরিসরে আলোচনা করা প্রয়োজন। তাই আগামী ৭ নভেম্বর সকালে ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপে বসবে সরকার।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
ওই দিন সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ করেন। রাত সোয়া ৮টায় সংলাপ শুরু হয়ে শেষ হয় প্রায় সোয়া ১০টার দিকে। এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপের কথা জানান।
তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের পাঠানোর চিঠির প্রেক্ষিতে গণভবনে সাত নভেম্বর সকাল ১১টায় সংলাপের সময় নির্ধারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে দ্বিতীয়বার সংলাপের জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে চিঠি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ধানমণ্ডির কার্যালয়ের স্টাফ আলাউদ্দিনের হাতে এ চিঠি হস্তান্তর করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা আ অ ফ শফিক উল্লাহ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান। আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা থাকায় আওয়ামী লীগ নেতারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থান করছেন বলে আমাদের জানানো হয়েছে। এ কারণে আলাউদ্দিনের কাছে আমরা চিঠি পৌঁছে দিয়ে যাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফা সংলাপ চেয়ে পাঠানো চিঠিতে শেখ হাসিনার উদ্দেশে ড. কামাল লেখেন, গত পয়লা নভেম্বর গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ জন্য ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) ধন্যবাদ জানাই। দীর্ঘ সময় আলোচনার পরও আমাদের আলোচনাটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। সেই দিন আপনি বলেছিলেন আমাদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তারই ভিত্তিতে ঐক্যফ্রন্ট জরুরি ভিত্তিতে আবারও আলোচনায় বসতে আগ্রহী।