পঁচিশ বছর পূর্বে ৬ই জুন ১৯৯৮ সালে ফজলুর রহমান-এর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল জার্মান-বাংলাদেশ সমিতি আউগবুর্গ। সংগঠনটি তিন মাসের মধ্যেই সরকারী নিবন্ধসহ যাবতীয় আইনী অনুমোদন নিয়ে তাদের কর্মযজ্ঞ শুরু করে। দেখতে দেখতে সংগঠনটি ২৬ বছরে পা রাখলো।
বিগত পঁচিশ বছরে তারা অগণিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনসহ জার্মানিতে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের অসংখ্য সামাজিক ও মানবিক কর্মযজ্ঞ চালিয়ে আসছে ।
নিজেদের মধ্যে বাংলাভাষা ও সংস্কৃতিকে লালন পালন করে বিদেশীদের কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং প্রবাসী নতুন প্রজন্মের হাতে নানান সামাজিক কর্মকান্ড তুলে দেওয়ার প্রয়াসে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।
বাংলাদেশে রয়েছে তাঁদের সরকার অনুমোদিত এন জি ও; এসইডাব্লিওএ। পঁচিশতম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটি বছর জুড়ে নানা আয়োজন হাতে নিয়েছে। প্রতি মাসেই রয়েছে এক একটি মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠান, যা ১৭ই ডিসেম্বর ২০২৩ বিজয় দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
সংগঠনটি আগামী ২৩ সেপ্টেম্বরের,২০২৩
আউগবুর্গের এক ঐতিহাসিক হলে (“Kleine Goldene Saal”), জার্মান বাংলাদেশ সমিতি আউগবুর্গের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক মনোরম সঙ্গীত সন্ধ্যা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।
সন্ধ্যাটা আমরা সবাই কোনো দেশবরেণ্য শিল্পীর সাথে কাটাতে চাই। সে আর কেউ নয় আমাদের বাংলাদেশের খ্যাতিমান গায়ক, গীতিকার এবং সুরকার বাপ্পা মজুমদার। তাঁর গান রেডিও, টেলিভিশন, ইউটিউবে শোনেনি এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু এবার আর রেডিও, টেলিভিশনের পর্দায় আমরা সীমাবদ্ধ নই। তিনি আউগসবুর্গে আসছেন আমাদের চমৎকার একটি সংগীত সন্ধ্যা উপহার দিতে।
ইতোমধ্যে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিসা হাতে পেয়েছেন, প্লেনের টিকিট এবং হোটেল বুকিং-এর মতো কাজ সমাপ্ত হয়েছে। অপেক্ষা শুধু কাঙ্খিত মুহূর্তের।
জার্মানির মাটিতে বসে দেশীয় সংগীতের এই মহামঞ্চে প্রবাসীদের আগমন একান্ত কামনা করছে সংগঠনটি। আপনিও থাকছেন তো আমাদের সাথে? জার্মান-বাংলাদেশ আউগবুর্গ সমিতি আন্তরিক ভাবে আপনাদের আউগবুর্গে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। আপনারা আমন্ত্রিত।টিকিট বিক্রয়ের পোর্টাল এখনো উন্মুক্ত, আপনার টিকিট এখনই সংগ্রহ করুন। উপভোগ করুন প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও বাপ্পা মজুমদারের সংগীত সন্ধ্যা।