শিরোনাম :
৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিতের আবেদন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট সালমান শাহ হত্যা মামলা: জামিন পেলেন না অভিনেতা আশরাফুল হক ডন বিশ্বজুড়ে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখার অপেক্ষা, ইউরোপে থাকবে সবচেয়ে ভালো দৃশ্য বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে নতুন সম্ভাবনা সম্পাদকীয়:তারুণ্যের শক্তিতেই গড়ে উঠুক আগামীর বিশ্ব

সিরিয়ায় শতাধিক মিসাইল ছোড়া হয়: রাশিয়া

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৮

ঢাকা: সিরিয়ায় প্রায় শতাধিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে মার্কিন মিত্ররা এবং এসব মিসাইলের অনেকগুলো ভূ-পাতিত করেছে সিরিয়ার এয়ার ডিফেন্স।

শনিবার (১৪ এপ্রিল) ভোররাতে সিরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডার একযোগে চালানো মিসাইল হামলার প্রতিক্রিয়ায় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে এটাও বলা হয়, মিসাইল প্রতিহত করাতে রাশিয়ান প্রতিরক্ষার কোনো ইউনিট জড়িত ছিল না।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ হামলায় যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ থেকে মার্কিনবাহিনী ও তাদের মিত্ররা শতাধিক মিসাইল নিক্ষেপ করে। মিসাইলগুলো ছিল ক্রুজ মিসাইল ও এয়ার-সারফেস (আকাশ থেকে ভূমি অভিমুখে ছোড়া) মিসাইল।

লোহিত সাগরে অবস্থানরত দু’টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজের মাধ্যমে হামলাটি পরিচালনা করা হয়। তাছাড়া সিরিয়ার হোমস প্রদেশে মার্কিন জোটের বিমানঘাঁটি থেকে ‘রকওয়েল বি-১’ বোমার যুদ্ধবিমান সিরীয় অবস্থানে বোমা হামলা চালায়।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়য় আরও জানায়, দামেস্কের ৪০ কিমি দূরের আল-দুমাইর এয়ারপোর্ট লক্ষ্য করে ১২টি ক্রুজ মিসাইল ছোড়া হয়।মিসাইলগুলোর প্রতিটিকেই সিরিয়ান এয়ার ডিফেন্স ভূ-পাতিত করে।

মিসাইলগুলো ভূ-পাতিত করতে রাশিয়ার তৈরি সারফেস-টু-এয়ার (ভূমি থেকে আকাশের দিকে ছোড়া) মিসাইল ব্যবহার করে দামেস্ক। কিন্তু রাশিয়া কোনো অংশ নেয়নি।

হামলার পরপর একটি পৃথক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, মার্কিন মিত্রদের ছোড়া মিসাইলগুলোর কোনোটিই সিরিয়ার তারতুস ও খোমেইমিম শহরে অবস্থিত রাশিয়ান এয়ার ডিফেন্স জোনে পৌঁছায়নি।

শনিবার (১৪ এপ্রিল) ভোররাতে রাসায়নিক হামলার জন্য সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বাহিনীকে দায়ী করে বিভিন্ন সরকার-নিয়ন্ত্রিত স্থাপনার ওপর একযোগে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এ হামলাটিকে দেশটির ওপর পশ্চিমা শক্তির সবচেয়ে বড় হস্তক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে বেশ কিছুদিন ধরেই সিরিয়াতে এমন বড় ধরনের হামলার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এ নিয়ে পাল্টা হুঁশিয়ারি জানিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়, সিরিয়ায় যেসব স্থাপনায় রুশ বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন সেসব স্থাপনায় কোনো মিসাইল ছোড়া হলে তা ভূ-পাতিত করা হবে এবং তা নিক্ষেপের উৎসগুলোকে টার্গেট করে প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা চালানো হবে।
প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প টুইট করেন, প্রস্তুত থেকো রাশিয়া, মিসাইল আসবেই। আর এবারের মিসাইলগুলো হবে ‘নিউ’, ‘নাইস’ এবং ‘স্মার্ট’।

গত ক’দিন ধরেই এ নিয়ে আন্তর্জাতিকমহলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে আসছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD