জার্মানবাংলা অনলাইন : ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন বিমান হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল সোলায়মানিকে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোও নড়েচড়ে বসেছে। তারা আশঙ্কা করছে, সোলায়মানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে যেকোনো সময় যুক্তরাষ্ট্রে হামলা করতে পারে ইরান। বিশেষ করে দেশটির দুই বৃড় শহর নিউইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলসের নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ করছেন সেদেশের সাধারণ মানুষ।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, যুদ্ধবিরোধী সংগঠন ‘অ্যানসার কোয়ালিশন’র উদ্যোগে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামেন। ৯/১১ হামলার পর এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।
টাইমস স্কয়ারসহ নিউইয়র্কের বিভিন্ন জায়গায় মিছিলে অংশ নেয়া মানুষেরা ‘ইরাকে বোমা মারা বন্ধ করো’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
ইরান-আমেরিকা রীতিমতো মারমুখী অবস্থানে গেছে শুক্রবার থেকে। এদিন ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান কাসেম সোলায়মানি নিহত হওয়ার পর অঞ্চলটিতে বেজেছে যুদ্ধের দামামা।
সোলেইমানিকে হত্যার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ‘কঠিন প্রতিশোধ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরাকি মিলিশিয়া সংগঠনগুলোও।