বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, খাদ্যসামগ্রীর মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ে ৭.৫৬ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত খাতের মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯.৩৮ শতাংশ। এটি জুন মাসের তুলনায় উভয় ক্ষেত্রেই কিছুটা বৃদ্ধি পায়, যেখানে খাদ্যসামগ্রীর মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.৩৯ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত খাতের ৯.৩৭ শতাংশ।
অঞ্চলভিত্তিক দিক থেকে দেখা যায়, গ্রামীণ এলাকায় মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৮.৫৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা জুনের ৮.৪৬ শতাংশ থেকে কিছুটা বেশি। খাদ্য খাতে গ্রামে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৭.৩৬ শতাংশ হয়েছে। শহরাঞ্চলেও মূল্যস্ফীতি সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৯৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। খাদ্য খাতে শহরে মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ে ৮.০৬ শতাংশ হয়েছে।
এই অবস্থায় ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যেসব পণ্য ও সেবা ক্রয় করতে ১০০ টাকা খরচ হতো, সেই একই জিনিসপত্র কিনতে এখন ১০৮ টাকা ৫৫ পয়সা খরচ হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় প্রায় ৮ টাকা ৫৫ পয়সার বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির এই প্রবণতা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সাধারণ জনগণের জীবনযাত্রার উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।