শিরোনাম :
পরিবর্তনের জন্য বারবার রক্ত দিতে হয়েছে জাতিকে সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে ইউনেস্কো প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ এগ্রিভোল্টাইক হবে কৃষকবান্ধব, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা যাবে না: পরিবেশমন্ত্রী বাগেরহাটে ডিবির অভিযানে উদ্ধার ১১ চোরাই গরু ও পিকআপ, গ্রেপ্তার ৩ হজ প্যাকেজ আরও সাশ্রয়ী করতে নতুন উদ্যোগ, প্রতারণায় কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, মেধা ও আত্মবিশ্বাসই সাফল্যের পথ তৈরি করে: ববি হাজ্জাজ হৃদরোগে আক্রান্ত ৯ বছরের হাবিবুল্লাহ বাঁচতে চায়, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ সিপিএ রফিকুল ইসলাম জগলুর বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার

মীনা বড়ুয়া গুরু গোপাল সরকারের কাছে প্রথম সংগীত শিক্ষা গ্রহণ করেন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৯
মীনা বড়ুয়া

জার্মান-বাংলা ডেস্ক : শিল্পী মিনা বড়ুয়া ১৯৫৯ সালের ৩ জানুয়ারি গাজীপুর জেলায় কেশরীতা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত সংগীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মহেন্দ্র চন্দ্র ভৌমিক একজন আদর্শ স্কুল শিক্ষক এবং মাতা আশালতা ভৌমিক সঙ্গীত পিপাসু একজন সুগৃহিনী ছিলেন। গ্রামের বাড়িতে মামারা নাটক করতো সে নাটকে মিনা বড়ুয়া গান করতেন। তখন মিনা বড়ুয়া সন্ধ্যা মুখার্জী, প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ শিল্পীদের গান রেডিওতে শুনে শুনে গ্রামের মঞ্চে গানগুলো পরিবেশন করতেন। পরবর্তীতে তার গানের আগ্রহ দেখে বড় ভাই অশোক কুমার ভৌমিক তাকে একটি হারমোনিয়াম কিনে দেন। তিনি গুরু গোপাল সরকারের কাছে প্রথম সংগীত শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে গাজীপুর শহরে সংগীত গুরু জনাব কে.এম.মোনেম-এর নিকট শাস্ত্রীয় সংগীত, নজরুল সংগীতসহ অন্যান্য সঙ্গীতের তালিম নেন।

মিনা বড়ুয়া ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদ, ওস্তাদ মুন্সী রইস উদ্দিন,পি.পি গোমেজ,ওস্তাদ নিতাই রায়, ওস্তাদ জগদানন্দ বড়ুয়া, ওস্তাদ কাদের জামেরীর কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিম নেন। মিনা বড়ুয়া আব্দুল লতিফ,ওসমান খান, মোমতাজ আলী খান, ধীর আলী প্রমুখ ওস্তাদগণের এর কাছ থেকে লোকগীতি, পল্লীগীতি, ভাটিয়ালি, জারী সারী, হাছান রাজার গান, নৌকা বাইচের গান, ধান ভাঙার গান, রাধারমনের গান, ভাওয়াইয়া এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক গান শিক্ষা লাভ করেন। তার লালনগীতির গুরু ছিলেন মকসেদ আলী সাই, খোদাবক্স বিশ্বাস, গোলাম ইয়াছিন,নিমাই শাহ, বেহাল শাহ ও ঝড়ু শাহ প্রমুখ। তার বিজয় গীতির শিক্ষক ছিলেন স্বয়ং বিজয় সরকারের।কীর্ত্তনের গুরু ছিলেন কৃষ্ণ কীর্তন। তিনি নজরুল সংগীত শিক্ষা গ্রহণ করেন তার স্বামীর বীর মুক্তিযোদ্ধা ধর্মদর্শী বড়ুয়ার কাছ থেকে।

১২ বছর বয়সে শাড়ি পরে মিনা বড়ুয়া বড়দের সাথে সংগীত অডিশনের যোগদান করেন এবং অডিশনে পাস করার পর তিনি বড়দের সাথে সরাসরি রেডিও পাকিস্তানের গান পরিবেশনা করা শুরু করেন। রেডিও পাকিস্তানের তার গাওয়া প্রথম গান কি ছিল ‘আমার নিঠুর বন্ধুর লাইগারে’। শৈশবের সংগীত শিক্ষক আব্দুল লতিফ এর সাথে পুরনো ঢাকায় আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠানে দেশের গান করেছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান শেষে মিনা বড়ুয়ার গান শুনে সন্তুষ্ট হয়ে তার মাথায় হাত রেখে দোয়া করেন।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে মিনা বড়ুয়ার গ্রামের বাড়ি স্হানীয় রাজাকারেরা পুড়িয়ে দিলে তার পরিবার অনেক কষ্টে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে পৌছান।সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করতেন তিনি দেশের গান পরিবেশন করতেন। মিনা বড়ুয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস বিষয়ে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন এবং ভারতের পূর্ব পাঞ্জাব ‘প্রাচীন কলা কেন্দ্র’ থেকে সংগীতের সর্বোচ্চ ডিগ্রী ‘সংগীত বিশারদ ডিগ্রি’ লাভ করেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD