শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে: মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন গতি, অর্থনৈতিক করিডোর গঠনের প্রস্তাব বাংলাদেশিদের জন্য আবারও খুলছে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা, বদলেছে আবেদন পদ্ধতি তরুণ শিল্পীদের সৃজনশীলতা মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করায়: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ, দায়ীদের বিচার হবে: মির্জা ফখরুল দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে শুক্রবার জাতীয় ছুটি ঘোষণা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ‘কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ চাইল আইএইএ হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজের ওপর টোল বসাতে চায় ইরান, বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৭০২

ব্যাপকহারে পাখির সংখ্যা কমছে জার্মানিতে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৯

এক গবেষণার তথ্যমতে জার্মানিতে ২০০৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে পাখির সংখ্যা ১৫ শতাংশ কমেছে। কেন এভাবে পাখি কমে যাচ্ছে তা নিয়েও চলছে গবেষণা। জার্মানির প্রকৃতি এবং প্রাণীবৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক গোষ্ঠী নাবুর এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জার্মানিতে পাখির সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমেছে। ২০১৭ সালে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, আগের বারো বছরে ১ কোটি ২৭ লক্ষ প্রজননক্ষম পাখির জোড়া উধাও হয়ে গেছে।

নাবুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিপন্ন নয় এমন প্রজাতির পাখির সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে স্টারলিং, চড়ুই, ফিঞ্চ, গোল্ডক্রেস্টস, ভরতপক্ষী এবং ইয়েলোহ্যামারস পাখি। অন্যদিকে যেসব পাখি বিপন্নের তালিকায় রয়েছে, সেগুলোর সংখ্যা আবার সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে, কেননা, সেগুলো রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পাখির পাশাপাশি উড়ন্ত কীটপতঙ্গের হারও কমে যাচ্ছে। গবেষণা বলছে, ২০১৭ সালের আগে ২৭ বছরে কীটপতঙ্গের সংখ্যা কমেছে ৭৬ শতাংশ। তবে ঠিক কী কারণে, পাখি এবং কীটপতঙ্গ এভাবে কমে যাচ্ছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না গবেষকরা। এক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনকে দোষ দেয়া যাচ্ছে না, কেননা, উষ্ণ তাপমাত্রা পাখি এবং কীটপতঙ্গের জন্য ইতিবাচক।

গবেষকরা মনে করছেন, পাখি এবং কীটপতঙ্গের হার কমার সঙ্গে আধুনিককালের বড় কৃষি প্রকল্পের সংযোগ থাকতে পারে৷ উদাহরণস্বরুপ বলা যেতে পারে, কৃষকরা যে কীটনাশক ব্যবহার করেন, তা পাখি এবং কীটপতঙ্গের বংশবৃদ্ধির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মোটের উপর একই জমিতে ক্রমাগত কৃষিকাজ করায় এবং আবাদি জমির পরিমাণ বাড়ানোয় পাখিদের জন্য প্রয়োজনীয় ঝোঁপঝাড়ও কমে যাচ্ছে।

নেদারল্যান্ডসের রেডবাউড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাস্পার হলমান মনে করেন, ‘‘যেসব পাখি কৃষিজমির আশেপাশে বসবাস করে, সেগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষি জমিতে আধুনিকতার ছোঁয়া সম্ভবত পাখির হার দ্রুতহারে কমার কারণ।”

জার্মানির কৃষকদের অ্যাসোসিয়েশন অবশ্য পাখি কমার পেছনে কৃষিজমিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারকে দায়ী করতে রাজি নয়। অ্যাসোসিয়েশেন এক মুখপাত্র মনে করেন, এই বিষয়ে আরো গবেষণা না করেই কৃষকদের দায়ী করা ঠিক হবে না।

তবে দায় যারই হোক, বাস্তবতা হচ্ছে, কীটপতঙ্গ এবং পাখির সংখ্যা কমছে। আর এগুলো কমতে থাকলে তা কৃষিখাতের জন্যও কোনো সুখবর নয়, কেননা, ফসলের পরাগায়ন যে সেগুলোর মাধ্যমেই ঘটে!

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD