শিরোনাম :
নতুন বাণিজ্যিক ধারা সৃষ্টি ও সরবরাহ শৃঙ্খলের ঘাটতি পূরণে হাইনানের বিশেষ উদ্যোগ ইতিহাস অস্বীকারের প্রবণতা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ্রাসন মুছে ফেলতে চায় ডানপন্থী শক্তি বেইজিংয়ে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো সিপিসির বিশতম কেন্দ্রীয় কমিটির পঞ্চম পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রশিদ খানের ২০০ উইকেট সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যু: ধাওয়াকারীরা ‘পুলিশের লোক’ ছিল বলে আটক বন্ধুর দাবি জাপানে চার দিনের সফল সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইসিটিতে বিদেশি আইনজীবী লড়ার সুযোগ নেই: আনিসুল-সালমানসহ ৫ আসামির আবেদন নাকচ বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে রূপপুর: প্রথম ইউনিটে ‘ক্রিটিক্যালিটি’ প্রক্রিয়ার অনুমোদন সাফল্যের চার বছর: মানবিকতার আলো ছড়াচ্ছে জার্মান বাংলা চ্যানেল অ্যাসোসিয়েশন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রকে আরও দুর্বল করেছে: বারাক ওবামা

বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে রূপপুর: প্রথম ইউনিটে ‘ক্রিটিক্যালিটি’ প্রক্রিয়ার অনুমোদন

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরুর জন্য নীতিগত ও কারিগরি অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির পক্ষ থেকে এই চূড়ান্ত ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। এর মধ্য দিয়ে রূপপুর প্রকল্প বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের আরেক ধাপ কাছাকাছি পৌঁছে গেল।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই অনুমোদনের ফলে রিঅ্যাক্টরে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা নিয়ন্ত্রিত পরমাণু বিভাজন প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে চুল্লিতে ধাপে ধাপে, টেকসই এবং নিরাপদ উপায়ে তাপ ও বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদিত হবে। এর আগে চুল্লির প্রয়োজনীয় সব কারিগরি পরীক্ষা সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মানদণ্ড ও দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে রুশ প্রযুক্তি ও সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে এই মেগা প্রকল্প। প্রথম ইউনিটের ‘বি-১’ পর্যায়ের প্রস্তুতি সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ নিয়ে যে কারিগরি জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তা সফলভাবে নিরসন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ ‘বি-২’-তে রিঅ্যাক্টরকে প্রাথমিক অপারেশনের উপযোগী করে প্রস্তুত করার কাজ চলবে। এর পরপরই পরমাণু চুল্লিতে ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করানো হবে। এটি এমন একটি বিশেষ পর্যায়, যেখানে পরমাণু বিভাজন স্থায়ী রূপ নেয় এবং শক্তি উৎপাদন শুরু হয়। ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়িয়ে ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালে ইউনিটটি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে যুক্ত হবে।

এদিকে রূপপুরের অগ্রগতির পাশাপাশি প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটেও কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। দ্বিতীয় ইউনিটের ভিভিইআর-১২০০ (VVER-1200) রিঅ্যাক্টরে প্রাথমিক জ্বালানি লোডিংয়ের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে রাশিয়া প্রয়োজনীয় পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প কার্যালয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD