শিরোনাম :
জার্মানিতে একদিনে পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: দাবানল, কৃষি সংকট, জ্বালানির দাম, গোয়েন্দা সংস্কার ও ফ্রাঙ্কফুর্টে ধর্মঘট পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফরে ক্ষুব্ধ টোকিও, কড়া প্রতিবাদ জাপানের সবুজ উন্নয়নের পথে চীন, প্রকৃতি সুরক্ষায় জোর দিচ্ছেন সি চিন পিং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত

বিগত সরকারের কথিত উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জ করে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

বিগত সরকারের কথিত উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জ করে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। ওই আন্দোলনের মাধ্যমে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মাথায় নিরাপদ সড়কের বিষয়টি গেঁথে গিয়েছে। শনিবার (২১শে ডিসেম্বর) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সড়ক পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার বিষয়ক জাতীয় সংলাপে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

সড়ক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। এর পাশাপাশি পরিবহণ খাতে রাজনৈতিক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, যেসব কাঠামোগত উন্নয়ন মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, সেসব উন্নয়ন অর্থহীন। তাই, আমাদের মৌলিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রয়োজন।

সড়ক দুর্ঘটনাকে কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সড়কে বিশৃঙ্খলার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত দুর্বলতা অনেকাংশে দায়ী। পরিবহণ খাতে বহুমুখী সমস্যার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপদেষ্টা পরিবহণ খাতসংশ্লিষ্টদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যের বরাত দিয়ে সংলাপে জানানো হয়, ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৭ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সংলাপে আরও জানানো হয়, গণপরিবহণ ৫৩ শতাংশ যাত্রী বহন করে, আর ব্যক্তিগত যানবাহন ১১ শতাংশ যাত্রী বহন করে। অথচ ব্যক্তিগত যানবাহন ৭০ শতাংশ সড়ক দখল করে চলে। ৩০ শতাংশের কম জায়গায় চলে গণপরিবহণ। এটি সাধারণ মানুষের প্রতি চরম বৈষম্য।

সংলাপের শুরুতে সড়ক পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় করণীয় বিষয়ে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি আব্দুলাহ এম ফেরদৌস খান। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংলাপে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি সৈয়দ জাহাঙ্গীর, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান-সহ পরিবহণ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য প্রদান করেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD