শামস রহমান: সৌন্দর্যকে কে না ভালোবাসে। সৌন্দর্য’র কাছে সবাই পরাজিত। যদি হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাহলে তো কথাই নেই। প্রাকৃতিক সেই সৌন্দর্যটি দেশেই হোক বা দেশের বাইরেই হোক। কারণ প্রকৃতির সেই মনোরম দৃশ্য যেকোনো মানুষকে ভালো লাগার ইচ্ছায় অনুভূতি জাগায়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর সেই বিখ্যাত উক্তি ‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া’। অর্থাৎ প্রত্যেকের নিজের দেশটাই যে কত সুন্দর তার হিসাব ক’জনে করেছেন। আর আমাদের বাংলাদেশটা হতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নীলাভূমি। তার কতটুকু আমারা দেখতে পেরেছি। আমরা যদি ঘর হতে দুই পা সম্বল করে বের হই তাহলেই নিজের দেশের অপূর্ব সব সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারি। দরকার শুধু আমাদের ইচ্ছাশক্তির। চলুন প্রিয় বাংলাদেশের রূপের রাণী ৫টি ঝর্ণার অপরূপ সৌন্দর্য ঘুরে আসি…

বাংলাদেশের সব চাইতে সুন্দর এই ঝর্ণাটি বাংলাদেশ-মায়ানমারের বর্ডারের কাছাকাছি অবস্থিত। দুইটি উপায়ে এই অপরূপ সুন্দর জায়গায় যেতে পারবেন আপনি। রুট-১: বান্দরবন- থানচি- বোর্ডিং পাড়া- সিমপ্লাম্পি পাড়া- থান্ডিয়া পাড়া- বোলং পাড়া- সাত ভাইখুম- নাকিওংমুখ- আমিয়াখুম ঝর্ণা। রুট-২: থানচি- পদ্মমুখ- বোলং পাড়া- সাত ভাইখুম- নাকিওংমুখ- আমিয়াখুম ঝর্ণা।

অপূর্ব সৌন্দর্যের এই নাফাখুম ঝর্ণাটি বাংলাদেশের সব চাইতে বড় ঝর্ণা। এটি সাঙ্গু নদীতে অবস্থিত। এই ঝর্ণাটি দেখতে চাইলে আপনাকে থানচি উপজেলা থেকে ৩ ঘণ্টার নৌকো ভ্রমণ করে পৌছুতে হবে তিনডুতে, সেখান থেকে আরও ৩ ঘণ্টার ভ্রমণ সাঙ্গু নদীতে আপনাকে পৌঁছে দেবে রেমাকরিতে। এরপর ৩ ঘণ্টার হাঁটা পথে পৌঁছে যাবেন নাফাখুমের অপরূপ সৌন্দর্যে।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে এবং নোয়াখালী পার হলেই মিরেরসরাই উপজেলা। এই উপজেলাতেই রয়েছে এই অপরূপ সৌন্দর্যের ঝর্ণাটি।

অসাধারণ এই ঝর্ণাটি সীতাকুণ্ডে অবস্থিত। কিন্তু এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে যেতে হবে। কারণ এর খানিকটা অংশ পড়ছে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে।

ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটির উদ্দেশে রওনা দিলে অবশ্যই শুভলং ঝর্ণার সৌন্দর্য দেখে আসা উচিৎ। রাঙ্গামাটি শহর থেকে নৌকো ভাড়া করে কাপ্তাইয়ের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে চলে যান এই অপূর্ব ঝর্ণাটির কাছে।