শিরোনাম :
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২৯৪, নিখোঁজ ৩২০ পরিবেশ সুরক্ষা ও উন্নয়নের ভারসাম্যে চীনের সাফল্যের প্রশংসায় জাতিসংঘ ফিল্ডস পদক চীনের বিশ্বমানের গণিত গবেষণার প্রমাণ: মার্টিন হেয়ার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত আদালতের, প্রত্যর্পণ নিয়ে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার আলোচনা জার্মানিতে একসঙ্গে পরিবেশ, অর্থনীতি ও নিরাপত্তার চাপ; ইউক্রেন যুদ্ধেও বাড়ছে উদ্বেগ নারী শিক্ষায় নতুন উদ্যোগ, অনার্স পর্যন্ত সব খরচ বহন করবে সরকার নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে ফের অনিশ্চয়তা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের ভাতা নিয়ে জটিলতা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নতুন রূপকথা তীব্র গরম-খরায় বিপর্যস্ত জার্মানি, দাবানল থেকে নদীর পানিসংকটে বাড়ছে উদ্বেগ

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া শিক্ষার্থীর চেক আত্মসাৎ করলেন প্রধান শিক্ষক!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৯

আন্ত:প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি প্রতিযোগিতা-২০১৮ এ ১০০ মিটার দৌঁড়ে থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান এবং জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করে আব্দুল মোমিন।

গত ১৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ হাতে আব্দুল মোমিনের হাতে তুলে দেন একটি চেক, পুরস্কার ও সার্টিফিকেট। সাতক্ষীরার কলারোয়ার সোনাবাড়িয়া গ্রামের আনছার আলীর ছেলে আব্দুল মোমিন (১১)। সে উপজেলার ১২০নং কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

তবে আব্দুল মোমিনের বাবা আনছার আলী অভিযোগ করেছেন, সেই চেকের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুনছুর আলী।

শুধু তাই নয়, জেলা পর্যায়ে পুরস্কার পাওয়া ৫ হাজার টাকা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পুরস্কার পাওয়া ১০ হাজার টাকাও গায়েব করেছেন প্রধান শিক্ষক।পুরস্কারের টাকা আত্মসাতের বিষয়টি মঙ্গলবার লিখিতভাবে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসককে জানিয়েছেন আনছার আলী।

আনছার আলী সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে করা লিখিত ওই অভিযোগপত্রে তিনি বলেছেন, আমার ছেলে আব্দুল মমিন ২০১৮ সালের আন্ত:প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি প্রতিযোগিতার ১০০ মিটার দৌড়ে থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান এবং জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। গত ১৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিবেচনা করে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আমার ছেলের হাতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৮ প্রদান করেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তার হাতে একটি সার্টিফিকেট ও চেক তুলে দেন।

পরবর্তীতে আমার ছেলের কাছ থেকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ওই চেকের পেছনে জোর করে দু’টি স্বাক্ষর করে চেকটি নিয়ে নেন। এর আগে একইভাবে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পুরস্কার পাওয়া আরও ১৫ হাজার টাকা নিয়ে নেন তিনি। প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম আমার ছেলেকে বলেন, স্কুলে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব টাকা ও সার্টিফিকেট তোমার হাতে তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু আজও তা দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, গত ১৫ এপ্রিল আমি স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে চেকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে আমাকে মারতে আসেন। এ সময় প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ও স্কুলের সভাপতি মুনছুর আলী হুঁমকি দিয়ে আমাকে বলেন, ‘তোমার ছেলেকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হবে। বিষয়টি জানাজানি হলে তোমার ছেলের আরও ক্ষতি হবে।’

আনছার আলী বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি আমার ছেলের এসব টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন। শিশু মোমিন বলে, আমি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পাওয়া চেকটি ফিরে পেতে চাই। অভিযোগের ব্যাপারে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD