শিরোনাম :
তরুণ শিল্পীদের সৃজনশীলতা মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করায়: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ, দায়ীদের বিচার হবে: মির্জা ফখরুল দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে শুক্রবার জাতীয় ছুটি ঘোষণা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ‘কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ চাইল আইএইএ হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজের ওপর টোল বসাতে চায় ইরান, বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৭০২ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি চীনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক, নিরাপত্তা ও অভিবাসন সহযোগিতায় গুরুত্ব জাতিসংঘ ফোরামে অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সরকার গঠনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

প্যারিসে ইউরোপীয় পরিষদের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে লি ছিয়াংয়ের বৈঠক

ইয়াং ওয়েই মিং:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩

প্যারিসে, স্থানীয় সময় ২২ জুন সন্ধ্যায়, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং ইউরোপীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেলের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে লি ছিয়াং বলেন, চীন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-র সাথে সবুজ অর্থনীতি, বাণিজ্য, ডিজিটাল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে চায়।
তিনি বলেন, চীনের উন্নয়ন বিশ্বের জন্য ঝুঁকির পরিবর্তে সুযোগ বয়ে এনেছে এবং বৈশ্বিক শিল্পচেইন ও সরবরাহ-চেইনের স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। আশা করা যায়, ইইউ চীনের সাথে সহযোগিতাকে বস্তুনিষ্ঠ ও যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে কাজ করে যাবে। চীনও দু’পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের নির্ভরযোগ্যতা ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে কাজ করতে চায়।

লি ছিয়াং আরও বলেন, চীন ও ইইউ-র মধ্যে স্বার্থের কোনো মৌলিক দ্বন্দ্ব নেই। উভয় পক্ষই একে অপরের উন্নয়ন থেকে উপকৃত হচ্ছে, উভয় পক্ষ বহুপাক্ষিকতার সমর্থক, উভয় পক্ষ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার মতো বৈশ্বিক ইস্যুগুলোতে একমত পোষণ করে। চীন ও ইইউ-র উচিত পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত রাখা।

জবাবে চার্লস মিশেল বলেন, ইইউ বরাবরই ‘এক-চীন নীতি’ মেনে এসেছে। যোগাযোগ ও আদান-প্রদান জোরদার করতে, বহু-স্তরীয় সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে, জলবায়ু ও স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা সমাধান করতে, এবং একটি উন্মুক্ত ও বহু-মেরুর বিশ্ব সৃষ্টি করতে, ইইউ চীনের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে ইচ্ছুক।

তিনি আরও বলেন, চীনের উন্নয়ন ইইউ তথা গোটা বিশ্বের জন্য কল্যাণকর। চীনের উন্নয়নের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানোর কোনো ইচ্ছা ইইউ’র নেই। ইইউ “নতুন স্নায়ুযুদ্ধ” এবং সবধরনের পক্ষপাতিত্বেরও বিরোধিতা করে।
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD