শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে স্ক্যাফোল্ডারের চাহিদা, দক্ষ জনবল তৈরিতে এনএসডিএর উদ্যোগ সাংবিধানিকভাবে সকলের পরিচয় একটাই – ‘বাংলাদেশী’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিন বন্ধ পাটকল চালু করতে প্রাণ-আরএফএল ও হ্যামকোর সঙ্গে চুক্তি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধি: ত্রাণমন্ত্রী ফ্রাঙ্কফুর্ট ও আশপাশে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ ঘটনা: রেলপথে বিঘ্ন, দাবানল, যানজট, বিমানবন্দর অভিযান ও সূর্যগ্রহণের প্রস্তুতি আলবার্ট আইনস্টাইন: কৌতূহল ও অধ্যবসায়ের অনন্য দৃষ্টান্ত শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয় রোডেনবাখে বনাঞ্চলে আগুন, বড় ধরনের ফায়ার সার্ভিস জার্মানিতে অর্থনীতি ও রেল খাতে সংস্কারে নতুন উদ্যোগ রিয়াদের কারখানায় আগুনে নিহত ১৬ বাংলাদেশি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শোক

পেটে ভরে ইয়াবা পাচার

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১৮

ঢাকা: ছোট ছোট ইয়াবা স্কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে বানানো হয় ক্যাপসুল। এরপর তা পাকা কলার সাহায্যে পেটে ঢোকানো হয়। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর পর পেটে চাপ প্রয়োগ করে বা প্রাকৃতিক কাজের মাধ্যমে বের করে আনা হয়। এভাবে মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন কক্সবাজার থেকে বাহকের মাধ্যমে ঢাকায় চলে আসছে মরণনেশা ইয়াবা।

পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন বাহক সর্বোচ্চ তিন হাজার ইয়াবা পেটে বহন করতে পারেন। টাকার বিনিময়ে এই কাজ করছেন দরিদ্র নারী-পুরুষরা। এরপর তাঁদের কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকার চক্র। সম্প্রতি এমনি একটি চক্রের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদক নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর।

রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার দুটি বাড়ি থেকে ১৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন-রাজধানী কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার মো. জুলহাস তালুকদার (৪৫) ও শেখ মো. নজরুল ইসলাম (৪০)।

মাদক নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরের খিলগাঁও সার্কেলের পরিদর্শক সুমনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মুরাদপুর এলাকার জুলহাস তালুকদারের বাসা থেকে পাঁচ হাজার এবং নজরুল ইসলামের বাসা থেকে ১৪ হাজার ১০০ ইয়াবাসহ ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করি। এরা ইয়াবা ব্যবসায়ী।’

সুমনুর রহমান বলেন, এই চক্র ১৫-২০ জনের মাধ্যমে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ইয়াবা আনে। প্রথমে কয়েকটি ইয়াবা একত্র করে স্কচটেপ দিয়ে পেঁচানো হয়। এতে এটি একটি বড় ক্যাপসুলের মতো হয়। তারপর সেই ক্যাপসুল পাকা কলা ব্যবহার করে বহনকারী গিলে পেটে ঢুকিয়ে নেন। বহনকারীরা সবাই গরিব নারী-পুরুষ। এঁদের কাউকেই গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সুমনুর রহমান আরো বলেন, একজন একবারে সর্বোচ্চ আড়াই থেকে তিন হাজার ইয়াবা পেটে করে নিয়ে আসেন। এভাবে নিয়ে আসা খুব বিপজ্জনক। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইয়াবা বের করতে না পারলে মৃত্যুও হতে পারে বহনকারীদের।

সুমনুর রহমান বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে মুরাদপুরের লোকজন সিলভারের হাঁড়ি-পাতিলের ব্যবসায়ী হিসেবেই চেনেন। তবে আমরা অনুসন্ধান করে দেখেছি, তাঁরা এই ব্যবসার আড়ালেই তিন বছর ধরে ইয়াবার ব্যবসা করে আসছেন।’ গ্রেপ্তার দুজনকে খিলগাঁও থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রক আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন সুমনুর রহমান।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD