শিরোনাম :
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২৯৪, নিখোঁজ ৩২০ পরিবেশ সুরক্ষা ও উন্নয়নের ভারসাম্যে চীনের সাফল্যের প্রশংসায় জাতিসংঘ ফিল্ডস পদক চীনের বিশ্বমানের গণিত গবেষণার প্রমাণ: মার্টিন হেয়ার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত আদালতের, প্রত্যর্পণ নিয়ে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার আলোচনা জার্মানিতে একসঙ্গে পরিবেশ, অর্থনীতি ও নিরাপত্তার চাপ; ইউক্রেন যুদ্ধেও বাড়ছে উদ্বেগ নারী শিক্ষায় নতুন উদ্যোগ, অনার্স পর্যন্ত সব খরচ বহন করবে সরকার নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে ফের অনিশ্চয়তা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের ভাতা নিয়ে জটিলতা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নতুন রূপকথা তীব্র গরম-খরায় বিপর্যস্ত জার্মানি, দাবানল থেকে নদীর পানিসংকটে বাড়ছে উদ্বেগ

নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ মে, ২০১৯

 

শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, টাকা পেলেই জুনের মধ্যে ঘোষণা হবে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম।

দুই হাজার সাতশ বাষট্টিটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়েছে। নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর এগুলো বাস্তবায়ন করতে এক হাজার দুইশ সাতচল্লিশ কোটি টাকা দরকার, যা চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো শিক্ষা মন্তণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, নীতিমালা অনুযায়ী নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য চারটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে আবেদন নেওয়া হয়। এই মানদণ্ডগুলো হলো প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পরীক্ষায় পাসের হার। প্রতিটি মানদণ্ডের জন্য ২৫ নম্বর রাখা হয়। এতে মোট ৯ হাজার ৬১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। যাচাইয়ের এমপিও নীতিমালা সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য প্রতিষ্ঠান হয়েছে ২ হাজার ৭৬২। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে স্কুল ও কলেজ, ১ হাজার ৬২৯টি। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের অধীন মাদরাসা ৫৫১টি এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠান ৫৮২টি। এগুলোর জন্য লাগবে মোট ১ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য লাগবে প্রায় ৭২৮ কোটি টাকা। বাকি টাকা লাগবে কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি মাসে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) পেয়ে থাকেন। এ জন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সব সময় এমপিওভুক্তির জন্য সরকারের কাছে মুখাপেক্ষী হয়। বর্তমানে সারাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে প্রায় ২৮ হাজার। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী আছেন প্রায় ৫ লাখ। এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া ননএমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সাড়ে ৫ হাজারের মতো। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫ থেকে ৮০ হাজার। স্বীকৃতি পায়নি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও আছে আরো কয়েক হাজার। সব মিলিয়ে সাড়ে ৯ হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও মাদরাসা এমপিওপ্রত্যাশী।

সর্বশেষ ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে ননএমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনের মুখে গত বছরের জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমপিওভুক্তির জন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবলকাঠামো ও এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন নেওয়া হয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD