শিরোনাম :
ইয়েমেনে জ্বালানি সংকটে পানির সরবরাহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে ১৬ লাখ শিশু ফ্রান্সে প্রশিক্ষণকালে যুদ্ধবিমান ‘মিরাজ ২০০০ডি’ বিধ্বস্ত: পাইলট নিহত, নেভিগেটর নিখোঁজ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ: সিলেটে উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আমিরাত ১ নভেম্বর থেকে সব খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক: নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কড়া নির্দেশনা গুজব ও ধর্মীয় উগ্রতার বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার থাকার ডাক রাষ্ট্রপতির: বঙ্গভবনে বিজয়ার সংবর্ধনা স্বর্ণ চোরাচালানের পর এবার জুলাই আন্দোলনের হত্যাচেষ্টা মামলা: দিলীপ আগরওয়ালার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন অশ্রুসজলে দেবীকে বিদায়ের ক্ষণ: আজ শুভ বিজয়া দশমী, মণ্ডপে মণ্ডপে সিঁদুর খেলা ও বিসর্জন জার্মানির স্টুটগার্টের দুর্গাবাড়িতে শারদীয় দুর্গোৎসব: সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী:স্বাক্ষরিত হতে পারে একাধিক সমঝোতা স্মারক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার

ধান ক্ষেতে পোকা দমনে ‘আলোক ফাঁদ’: সুফল পাচ্ছেন কৃষক

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮

মশিউর রহমান কাউসার, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: বাংলাদেশে ফসলের মাঠে কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ, পর্যবেক্ষণ, দমন বিষমুক্ত ফসল উৎপাদনের জন্য একটি পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি হচ্ছে ‘আলোক ফাঁদ’। ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা কৃষি অফিসের অনুপ্রেরণায় বিষমুক্ত ফসল উৎপাদনে এ পদ্ধতি ব্যবহারে স্থানীয় কৃষকরা দিন দিন আগ্রহী হয়ে ওঠছেন।

বুধবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আলোক ফাঁদ স্থাপনকালে কথা হয় এ উপজেলার সহনাটি ব্লকের উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা জাকিয়া জেসমিনের সাথে। তিনি বলেন, আলোক ফাঁদ প্রযুক্তিটি হচ্ছে, রাতের বেলাতে ফসলের মাঠে বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালিয়ে তার নিচে পাত্র রাখা হয়। ওই পাত্রের মধ্যে ডিটারজেন্ট বা কেরোসিন মিশ্রিত পানি থাকে। এসময় আকৃষ্ট হয়ে পোকামাকড় আলোর কাছে আসে এবং পাত্রের পানির মধ্যে পড়ে মারা যায়। ওই পোকামাকড়গুলোর মাঝে ফসলের জন্য ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা সনাক্তকরন পূর্বক এ বিষয়ে কৃষকের ধারনা দেয়া হয়ে থাকে।

উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার জানান, কৃষকদের এ পদ্ধতি ব্যবহারে আগ্রহী করতে ময়মনসিংহ অঞ্চলে বুধবার একযোগে ১ হাজার ৮৪টি ব্লকে একযোগে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে। এ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গৌরীপুর উপজেলায় ৩১টি ব্লকে একযোগে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।

আলোক ফাঁদ সম্পর্কে তিনি বলেন, ধানগাছে পোকামাকড়ের আক্রমণ স্বাভাবিক হলেও ফলনের জন্য তা খুবই ক্ষতিকর। ধানগাছে বাদামি ঘাসফড়িং, সবুজ ঘাসফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকা, গান্ধী পোকা, মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা আক্রমণ করে। এর মধ্যে বাদামি ঘাসফড়িং বা কারেন্ট পোকা সবচেয়ে ক্ষতিকর। এ পোকা যে গাছে আক্রমণ করে, সেই গাছের শীষ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে ফলন কমে যায়। সাধারণত ধানে কাইচ থোড় আসার আগে এসব পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দেয়। আমাদের দেশে এসব পোকামাকড় মারার জন্য কৃষকেরা সাধারণত বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করেন। ধান চাষে কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষকেরা কোনো সুবিধা পান না। এতে উৎপাদন তো বাড়েই না, বরং উৎপাদন ব্যয় বাড়ে, আর এর পাশাপাশি পরিবেশও দূষিত হয়।

এ ক্ষেত্রে আলোক ফাঁদ প্রযুক্তি ভালো কাজ করে থাকে। এতে কৃষকরে খরচ কম হয় এবং পরিবেশবান্ধবও বটে। দেড় বিঘা জমির জন্য একটি আলোক ফাঁদ রাখলেই কাজ হবে। এটি নিয়মিত পরিস্কার করতে হয়না। ৭/৮ দিন পর পানি পরিবর্তন করে মৃত পোকাগুলো ফেলে দিতে হবে। আলোক ফাঁদ ব্যবহারে কৃষকরা নিজেই ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি দেখে ধানগাছে আক্রমণের আগেই কোনে প্রকার ক্ষতিকর কীটনাশক প্রয়োগ না করেই তা সহজে দমন করতে পারবেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD