শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে: মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন গতি, অর্থনৈতিক করিডোর গঠনের প্রস্তাব বাংলাদেশিদের জন্য আবারও খুলছে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা, বদলেছে আবেদন পদ্ধতি তরুণ শিল্পীদের সৃজনশীলতা মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করায়: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতার উদ্যোগ, দায়ীদের বিচার হবে: মির্জা ফখরুল দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে শুক্রবার জাতীয় ছুটি ঘোষণা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ‘কঠোর যাচাইকরণ ব্যবস্থা’ চাইল আইএইএ হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজের ওপর টোল বসাতে চায় ইরান, বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৭০২

দেশজুড়ে ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস, ৩ দিনের সতর্কতা

জার্মান বাংলা চ্যানেল, ঢাকা অফিস
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

দেশজুড়ে ভ্যাপসা গরম। কোথাও স্বস্তি নেই। ভোর কিংবা রাত- গরমের তেজ কমছেই না। সারা দেশের মানুষ গরমে নকাল। টানা তিনদিন ধরে এমনই দহন জ্বালায় জ্বলছে দেশ। নেই বৃষ্টির দেখা। শনিবার ঢাকায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সিলেট ও সুনামগঞ্জের আশপাশে ছাড়া অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ওপরে। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৈশাখের শেষ বেলায় এসে দেশজুড়ে বয়ে চলা তাপপ্রবাহের মধ্যে তিন দিনের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ছুটির দিনে সকাল থেকেই তেতে পুড়ে ছিল রাজধানী।

খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে তাপপ্রবাহ
এখন সবচেয়ে বেশি। এর সঙ্গে চট্টগ্রাম, বরিশাল বিভাগেও তাপপ্রবাহ আছে। এর প্রভাবে ঢাকাসহ অন্যান্য বিভাগে তাপপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে। এ ভ্যাপসা গরম থেকে কবে মুক্তি– আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে সাধারণ মানুষ। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই তাপপ্রবাহ আগামীকাল সোমবার ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। ওই দিন থেকে বৃষ্টি ও কালবৈশাখী হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম বলেন, সোমবার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে ধীরে ধীরে তাপপ্রবাহ ১৮ বা ১৯ মের মধ্যে কমে আসতে পারে। এই সময়ে কালবৈশাখীরও সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রচণ্ড গরম মানুষের জীবনকে করে তুলেছে বিপর্যস্ত। তৈরি হচ্ছে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি। স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, এ গরমকে বৈজ্ঞানিকভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বলা হয়। অনেক দেশে এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে সতর্কতা জারি করা হয়। প্রয়োজন ছাড়া কেউ যেন ঘর থেকে বের না হন, সে ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু বাংলাদেশে তা নেই। শীত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা বন্যায় সরকার মানুষকে সহায়তা করে। এমন গরমেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সরকারের অনুদান জরুরি।

রাজশাহীতে শুক্র ও শনিবার টানা দু’দিন ধরে ৪০ ডিগি সেলসিয়াসের ওপরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে। ঘরের বাইরে গেলেই আগুনের হলকা লাগছে চোখে-মুখে। গতকাল বিকেল ৩টায় রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক শূন্য ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নগরীর বাসিন্দারা জানান, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। প্রচণ্ড গরমের কারণে শহরের রাস্তাঘাট দুপুরের আগেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে রিকশাচালক, নির্মাণ শ্রমিক ও দিনমজুররা রোদ ও গরম উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া সহকারী তারেক আজিজ বলেন, তাপমাত্রা সব জায়গাতেই বেশি। তবে আজ রোববার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD