শিরোনাম :
তীব্র গরম-খরায় বিপর্যস্ত জার্মানি, দাবানল থেকে নদীর পানিসংকটে বাড়ছে উদ্বেগ সম্পাদকীয় : ১৫ আগস্ট ইতিহাসের স্মৃতি মুছে নয়, সত্যকে ধারণ করেই এগোতে হবে গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত, দেশজুড়ে লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক বিনিময়ে নতুন গতি জার্মানিতে একদিনে পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: দাবানল, কৃষি সংকট, জ্বালানির দাম, গোয়েন্দা সংস্কার ও ফ্রাঙ্কফুর্টে ধর্মঘট পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফরে ক্ষুব্ধ টোকিও, কড়া প্রতিবাদ জাপানের সবুজ উন্নয়নের পথে চীন, প্রকৃতি সুরক্ষায় জোর দিচ্ছেন সি চিন পিং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ভবনে তালা,ক্লাস বর্জন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯

জার্মান-বাংলা ডেস্ক:

‘সাত কলেজ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গলার কাঁটা হিসেবে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ সেখানে অতিরিক্ত সাত কলেজের পৌনে ২ লাখ শিক্ষার্থীর দায়িত্বভার গ্রহণ অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত।’

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি থেকে সরকারি সাত কলেজকে বাদ দেয়ার দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা।এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তালা খুলে দেয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় শিক্ষার্থীরা। সকাল আটটার আগে এসব ভবনের তালা খুলতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মচারীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর থেকে এসব ভবন এখনো তালাবদ্ধ রয়েছে।

সর্বশেষ সকাল ৯টার দিকে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মু. সামাদ তার কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীদের বাধায় ঢুকতে পারেননি। এ সময় প্রো-ভিসি তাদের বলেন, ‘এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের একক কোনো সিদ্ধান্ত না, জাতীয় সিদ্ধান্ত। তাই কোনো কিছু করতে হলে একটা প্রসেসের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সেই সময় পর্যন্ত তোমরা আন্দোলন স্থগিত করো।’

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, ‘সাত কলেজ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গলার কাঁটা হিসেবে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ সেখানে অতিরিক্ত সাত কলেজের পৌনে ২ লাখ শিক্ষার্থীর দায়িত্বভার গ্রহণ অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত। তাই তারা সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল চান।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আহ্বায়ক ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আকাশ হোসেন আবির বলেন,‘কোনো ধরনের পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া সাত কলেজের অধিভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সাত কলেজের বিরোধী না। আমরা চাই সাত কলেজে সঠিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হোক। কিন্তু সেটি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের আওতায় থেকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়। কারণ সাত কলেজ পরিচালনার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যথেষ্ট জনবল ও অন্যান্য সামর্থ্য নেই।’

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD