জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে জার্মান বাংলা সনাতন কালচারাল এসোসিয়েশন-এর উদ্যোগে উদযাপিত হলো বৈশাখী ১৪৩০ অনুষ্ঠানের সাথে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী।

অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্ব পালনে ছিলেন এসোসিয়েশনের সভাপতি শ্রী স্বজন কুমার চক্রবর্তী,সহ-সভাপতি মাখন সরকার, সেক্রেটারী সুজলা সিনহা, কোষাধ্যক্ষ সুনীল ঘোষ ও প্রচার সম্পাদক অখিল শর্মা।
অনুষ্ঠানটি সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য দিক নির্দেশনা দিয়েছেন এসোসিয়েশন-এর সম্মানিত উপদেষ্টা শ্রী আশুতোষ বনিক, শ্রী আদিত্য শর্মা এবং শ্রীমতি জুঁই চক্রবর্তী।

সংগঠনের সভাপতিকে ফ্রাঙ্কফুর্টের তিন সাংবাদিক খান লিটন ,হাবিবুল্লা বাহার ও ফাতেমা রুমা ভাল সংগঠক হিসাবে বাংলাদেশের পতাকার উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানোনা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানটি আরো উপভোগ্য করে তোলেন আমাদের শিশু শিল্পীরা যথাক্রমে প্রকৃতি দে, শ্রীজা ঘোষ, সীমান্ত চক্রবর্তী, নীলান বর্মন।
সংগীত পরিবেশনায় ছিলেন জুঁই চক্রবর্তী, মিতা দত্ত, শিউলি দাস, স্মৃতি চক্রবর্তী, হেনা দত্ত, বরুন চক্রবর্তী, অংকিতা শর্মা, শ্রাবনি দাস, শ্যামলী দাস, শিবানী দাস, প্রান্তিকা বর্মন, তপস্যা চক্রবর্তী, বরনী দত্ত ও সেঁজুতি দে।

জার্মানীর ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছিলেন দলে দলে।সব মিলিয়ে এটি যেন এক ছোট্ট বাংলাদেশে রূপ নিয়েছিল, যেখানে সবাই একটি দিন আনন্দের সাথে কাটিয়েছে।
দিনটিকে উৎসবমূখর করে তুলতে আরো সহযোগীতা করেছেন সুব্রত দত্ত, নিলয় সাহা, শংকর দাসসহ আরো অনেকে ।সবাইকে জার্মান বাংলা সনাতন কালচারাল এসোসিয়েশন-এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয় ।
সংগঠনের সভাপতি শ্রী স্বজন কুমার চক্রবর্তী আর ও বলেন এভাবেই জাগিয়ে রাখতে চাই আমাদের ভাতৃত্ববোধ।সকলের সহযোগীতায় আমরা এগিয়ে যাবো বহুদূর।আমাদের সন্তানেরা যেন বিদেশের মাটিতে নিজের শিল্প-সংস্কৃতির সাথে পরিচিত থাকে সেই প্রচেষ্টাই থাকবে আমাদের।