প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিরা নানান কর্মব্যস্ততার মধ্যে দিন অতিবাহিত করলেও বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য তাঁরা চেতনায় লালন করে। বাঙালি সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের নানন উৎসব তাঁরা প্রবাসে পালন করে থাকে। বাঙালি ও বাংলাদেশের জাতীয় উৎসব গুলো স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে প্রবাসী বাঙালিরা নানান আয়োজনে তুলে ধরে।


আর এই নানান রঙের আয়োজনে বর্তমান প্রজন্মের প্রবাসী বাঙালিরা দারুন ভাবে উপভোগ করে। নিজেদের সাংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে তাঁরা তাদের সংস্কৃতির অংশ বলে মনে করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭শে আগস্ট, ২০২৩ রোববার জার্মানির ফাঙ্কফুর্টের ওস্ট পার্কে আয়োজিত হয়েছিল বাঙালির মুখরাচক ভর্তা উৎসব।

এই ভর্তা উৎসবে জার্মানির বিভিন্ন শহর থেকে প্রবাসী বাঙালিরা পারিবারিকভাবে ঐতিহ্য ধারণ করা বাহারি রকমের ভর্তার পরসা নিয়ে এসেছিল। মুখরোচক ভর্তার অতুলনীয় সাদে প্রবাসী বাঙালিরা চমৎকারভাবে উৎসবটি উপভোগ করে।

নানারকম ভর্তা ও মুখরোচক খাবারের সাথে সাথে কন্ঠশিল্পী এনামুল মুহাম্মদের গান ও বিভিন্ন মজাদার খেলায় জমে উঠেছিল বাঙালির মিলনমেলাটি।

অনুষ্ঠানের আয়োজনে ছিলেন দিলশাদ জাহান খান, আয়েশা সিদ্দিকা হিরা, ডলি ও জাকির হোসেন, সোহেল শরীফ, তৃপ্তি, শিরিন হোসেইন, আনিকা ও রুমা।

বাঙালির লোকজ ইতিহাস-ঐতিহ্যে ভর্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। ভর্তা অত্যন্ত পরিচিত এবং মুখরোচক খাদ্য হিসাবে বাঙালি সমাজে আদরণীয়। এই প্রবাসে এসেও বাঙালিরা ভুলে যায়নি।