জার্মানির বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়।
দিনব্যাপী শোক সভার কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এ ছাড়া জার্মান আওয়ামী লীগ, বার্লিন আওয়ামী লীগ, জার্মান স্বেচ্চাসেবক লীগ ও প্রবাসীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আলোচনা সভায় সভাপত্বিত করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ। সভা পরিচালনা করেন দূতাবাসের কর্মকর্তা সফিউল আজম।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মিজানুর হক খান, মাসুদুর রহমান মাসুদ, নুরে আলম সিদ্দিকি রুবেল, নাজমুন নেসা ও প্লাবন ভুইয়া।
শোক সভায় উপস্হিত ছিলেন ওয়াদুত মিয়া, রানা ভুইয়া, বাপ্পী তালুকদার, কুদ্দুস আলী, রতন সিকদার, আউয়াল খান, রুবেল শরীফ, রনি মাতুব্বরসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা। আর এ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি চিরকাল বাঙালি জাতির মাঝে বেঁচে থাকবেন।’
মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি পরিকল্পিতভাবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি।
মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, বাংলার মানুষের মুক্তিই ছিল তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশের উন্নয়নে সকলকে কাজ করতে হবে। তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়ন হলেই তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।