শিরোনাম :
জার্মানিতে একদিনে পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: দাবানল, কৃষি সংকট, জ্বালানির দাম, গোয়েন্দা সংস্কার ও ফ্রাঙ্কফুর্টে ধর্মঘট পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জাহাজ শিল্প গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফরে ক্ষুব্ধ টোকিও, কড়া প্রতিবাদ জাপানের সবুজ উন্নয়নের পথে চীন, প্রকৃতি সুরক্ষায় জোর দিচ্ছেন সি চিন পিং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেউবা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাক ছাড়বে সব মার্কিন সেনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টায় বন্ধ হবে শপিংমল ও দোকানপাট প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ লঘুচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বৃষ্টির পূর্বাভাস অব্যাহত

জার্মানিতে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতীয় শোক দিবস পালন

ফাতেমা রহমান রুমা
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২০
বক্তব্য রাখেন মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ
জার্মানির বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়।
দিনব্যাপী শোক সভার কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এ ছাড়া জার্মান আওয়ামী লীগ, বার্লিন আওয়ামী লীগ, জার্মান স্বেচ্চাসেবক লীগ ও প্রবাসীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আলোচনা সভায় সভাপত্বিত করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ। সভা পরিচালনা করেন দূতাবাসের কর্মকর্তা সফিউল আজম।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মিজানুর হক খান, মাসুদুর রহমান মাসুদ, নুরে আলম সিদ্দিকি রুবেল, নাজমুন নেসা ও প্লাবন ভুইয়া।
শোক সভায় উপস্হিত ছিলেন ওয়াদুত মিয়া, রানা ভুইয়া, বাপ্পী তালুকদার, কুদ্দুস আলী, রতন সিকদার, আউয়াল খান, রুবেল শরীফ, রনি মাতুব্বরসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা। আর এ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি চিরকাল বাঙালি জাতির মাঝে বেঁচে থাকবেন।’
মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি পরিকল্পিতভাবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি।
মান্যবর রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, বাংলার মানুষের মুক্তিই ছিল তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশের উন্নয়নে সকলকে কাজ করতে হবে। তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়ন হলেই তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।
শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD