জার্মানির মানহাইম শহরে বাংলাদেশের প্রকৌশলী আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম শফিক ৩০ বছর আগে শুরু করেছিলেন CLS কম্পিউটর কোম্পানির যাত্রা। আজ যা প্রবাসী বাংলাদেশীদের গর্ব হয়ে জার্মানি তথা সমগ্র ইউরোপে সুনাম অর্জন করে।
প্রবাসী বাংলাদেশি দেওয়ান শফিকুল ইসলাম ১৯৯৩ সালে গড়ে তুলেছেন এই প্রতিষ্ঠান। উচ্চ শিক্ষা আর উন্নত জীবনের সন্ধানে ১৯৮৬ সালে জার্মানি পাড়ি জমিয়েছিলেন তরুণ দেওয়ান শফিক।

প্রতিষ্ঠানের ৩০ বছর বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে কম্পিউটার ও যন্ত্রাংশের মেলার আয়োজন করে সিএলএস । দিনভর এই মেলায় প্রচুর জার্মান কাস্টমার এসেছিলেন। মেলায় মি. মুলার ও মিসেস মুলার দম্পতি মন্তব্য করেন গত ৩০ বছর যাবত CLS কম্পিউটরে তারা আসছেন কারণ এদের সেবার মান অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে উন্নত।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক প্রকৌশলী আলহাজ্ব দেওয়ান শফিকুল ইসলাম মেধা ও পরিশ্রম দ্বারা তাঁর প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছেন, তিনি নিজেকে গর্বিত বাংলাদেশী বলে মনে করেন।
তিনি জার্মানিতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে আসা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জার্মান ভাষা শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন। দেওয়ান শফিকুল ইসলাম স্ত্রী ডা: হালিমা আক্তার এবং দুই কন্যা সন্তান সহ মানহাইম শহরে বসবাস করেন।

তিনি বাংলাদেশে বহু সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার কে তাঁর প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, অন্যদিকে বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে সন্মানিত প্রধান অতিথি বার্লিনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া দেওয়ান শফিকুল ইসলামকে বাংলাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র বলে উল্লেখ করেন।
বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে জার্মানিতে কর্মরত বাংলাদেশীসহ বেশ কিছু গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট টকশোর সঞ্চালোক ও সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন, আরাফাত ইসলাম, ফয়সাল আহমেদ,ফাতেমা রহমান রুমা, হাবিবুল্লাহ আল বাহার, সৈয়দ আহমেদ বিটু বডুয়াসহ বাংলাদেশ ও জার্মানির বিভিন্ন টিভি ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

দেওয়ান শফিকুল ইসলাম যিনি বিশ্ববিখ্যাত অ্যাপেল,এইচপি, তসিবা, স্যামসাং,লিনোভা, ডিল এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের সাথে পাল্লা দিয়ে নিজস্ব ব্রান্ড সিএলএস কম্পিউটার (CLS Computer)-এর বাজার তৈরি করেছেন এবং সুনামের সাথে জার্মানদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, এই প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রোগ্রাম প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রায় ২৫ জন নাগরিক জার্মানিতে চাকরি করছেন। সিএলএস – এর মতো বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা ছড়িয়ে পড়ুক সব দেশে। বাংলাদেশ সামনের দিকে সুনামের সাথে অগ্রসর হবে এটাই সকলের একান্ত প্রত্যাশা।