শিরোনাম :
প্রথম ফুটবলার হিসেবে স্পেনের ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ সম্মাননা নিচ্ছেন মেসি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় সম্মতি পুতিনের ভবিষ্যতে বিক্ষোভ না করার মুচলেকায় ৭ দিন পর মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গে চীন-রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মেলন অর্থনৈতিক গতিশীলতা ও পর্যটন প্রসারে সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সুফল পাচ্ছে চীন সাত দশকের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যে চীনের কেন্দ্রীয় সমাজতন্ত্র ইনস্টিটিউট আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে নতুন মাত্রা যোগ করল ‘আফ্রিকায় উচু অপেরা’ ২২৭ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘চামপি’: তাইওয়ানে জারি সতর্কতা, ফ্লাইট বাতিল ও সামরিক মহড়া ব্যাহত ‘সমাজের নিকৃষ্টরাই এমপি-মন্ত্রী হন, দুর্নীতিবাজরা হন নেতা’: তজুমদ্দিনে ক্ষোভ প্রকাশ স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের জলবায়ুর অভিঘাতে ২০৫০ সালের মধ্যে বাস্তুচ্যুত হতে পারে বাংলাদেশের ১ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ: এডিবি

চিকিৎসায় নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী

ঢাকা অ‌ফিস, ডেস্ক রি‌পোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫

এই তিন গবেষক মানবদেহে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য বজায় রাখার প্রক্রিয়া উন্মোচন করেছেন— যা অটোইমিউন রোগ, ক্যানসার চিকিৎসা এবং ইমিউন থেরাপির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেমের কার্যপ্রণালী নিয়ে গবেষণার জন্য ২০২৫ সালের শারীরবিদ্যা বা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন— মেরি ই. ব্রানকো, ফ্রেড র‍্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচি।

আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি এই ঘোষণা দেয়।

নোবেল কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই তিন গবেষক ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ সংক্রান্ত আবিষ্কারের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন। এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের বুঝতে সাহায্য করেছে যে, শরীর কীভাবে তার নিজস্ব টিস্যুগুলোর ওপর আক্রমণ করা থেকে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে বিরত রাখে। তাদের এ গবেষণা অটোইমিউন রোগ, ক্যানসার চিকিৎসা এবং ইমিউন থেরাপির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

নোবেল কমিটির চেয়ার ওলে ক্যাম্প জানান, তাদের আবিষ্কার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে এবং কেন আমরা সবাই মারাত্মক অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত হই না, তা বুঝতে সহায়ক হয়েছে।

শিমন সাকাগুচির গবেষণা প্রথমবারের মতো রেগুলেটরি টি-সেল এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করে, যা শরীরের ইমিউন প্রতিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। পরবর্তীতে মেরি ব্রানকো এবং ফ্রেড র‍্যামসডেল এই সেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফক্সপিথ্রি জিন চিহ্নিত করেন— যা ইমিউন সিস্টেমের ভারসাম্য রক্ষায় মুখ্য ভূমিকা রাখে।

 

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD