শিরোনাম :
রামপালে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প হাম-রুবেলা টিকাদানে দুই কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে আনার লক্ষ্য দুর্গাপূজায় পূজা মণ্ডপে সরকারের অনুদান ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি’ বাস্তবায়নে নির্ভুল নিবন্ধনের ওপর গুরুত্ব চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও সংস্কৃতি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ এবং জার্মানির পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল ৪০তম ফোবানায় নওশীনের কণ্ঠে প্রবাসে বাংলাদেশের সুর অনুবাদস্বত্ব, মেধাস্বত্ব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় ব্যস্ত সময় কাটাবেন পাঞ্জেরীর এমডি ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহ, সতর্কতার আওতায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ চীন-রাশিয়া বন্ধুত্ব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ এবং জার্মানির পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ বছরের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ এবং জার্মানির পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিকসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকেলে সুইডেনের স্টকহোমে নোবেল কমিটি এ বছরের চিকিৎসাবিজ্ঞানে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। কমিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পিটার হেগম্যান ও জর্জ নাগেল ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামের একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেন। গবেষণায় তারা দেখতে পান, কোনো কোষের মধ্যে এই প্রোটিন প্রবেশ করানো হলে ওই কোষ আলো শনাক্ত করার সক্ষমতা অর্জন করে।

এই আবিষ্কারের ওপর ভিত্তি করে কার্ল ডেইসেরথ স্নায়ুবিজ্ঞানে নতুন ধরনের গবেষণার পথ খুলে দেন। তিনি ইঁদুরের স্নায়ুকোষে চ্যানেলরোডপসিনের জিন প্রবেশ করিয়ে ওই কোষে নীল আলো প্রয়োগ করেন। এর মাধ্যমে তিনি স্নায়ুকোষের সংকেত চালু বা সক্রিয় করার সক্ষমতা অর্জন করেন।

পরবর্তী গবেষণায় ডেইসেরথ প্রমাণ করেন, জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্কেও আলো ব্যবহার করে স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আলোকে ব্যবহার করে স্নায়বিক সংকেত নিয়ন্ত্রণের এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিই পরবর্তীতে ‘অপটোজেনেটিকস’ নামে পরিচিতি পায়।

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞানের গবেষণায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। কোষের কার্যক্রম কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, তা বোঝার পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে গবেষণায়ও এটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

এ পর্যন্ত মোট ২৩২ জন ব্যক্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে এই পুরস্কার অর্জন করেন কানাডার ব্রেডরিক ব্যান্টিং। মাত্র ৩১ বছর বয়সে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। অন্যদিকে, সবচেয়ে বেশি বয়সে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী হন যুক্তরাষ্ট্রের পেটন রোস; তিনি ৮৭ বছর বয়সে এ সম্মান অর্জন করেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD