জার্মানবাংলা ডেস্ক: নানা সংকটের মধ্য দিয়ে ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুয়াইদো নিজেকে অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছেন। গত বুধবার এ ঘোষণা দেওয়ার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও লাতিন আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশের সমর্থন পেয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ২০১৩ সাল থেকে দেশটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এ ঘটনার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকদের ভেনেজুয়েলা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন মাদুরো।
তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, একজন ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট’ এমন নির্দেশ দিতে পারেন না। গত বুধবার গণবিক্ষোভ চলাকালে নিজেকে প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা দেন গুয়াইদো।
খবরে বলা হয়, গুয়াইদো নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের মতো একই ধরনের বিবৃতি দিয়ে কানাডাও তাকে স্বীকৃতি দেয়। ভেনেজুয়েলার প্রতিবেশী ব্রাজিল ও কলম্বিয়াসহ লাতিন আমেরিকার ডানপন্থী সরকারগুলোও তাদের অনুসরণ করে। তবে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ফোন করে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান।
এদিকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ থেকে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে মাদুরো বিরোধীরা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে একটি ক্যু করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন। যুক্তরাষ্ট্র ওয়াশিংটন থেকে ভেনেজুয়েলাকে শাসন করতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
‘অনেক হস্তক্ষেপ হয়েছে আমাদের ওপর, আমাদের মর্যাদা আছে, তাই ওসব গোল্লায় যাক! এই ভূমি রক্ষায় ইচ্ছুক জনগণ এখানে আছে’- সমাজতান্ত্রিক দলের নেতাদের পাশে নিয়ে বলেন মাদুরো।
যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীকে নতুন প্রেসিডেন্টকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনী মাদুরোর পাশেই আছে।