কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) র্যাগিংয়ের ঘটনায় মার্কেটিং ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১২ শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি, বহিষ্কৃতরা আজীবনের জন্য হলে অবস্থান করতে পারবেন না।
১৭ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। তিনি জানান, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, মার্কেটিং বিভাগের ৭ জন এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৫ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১২ জন শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা আজীবন হলে থাকতে পারবে না। অভিযুক্তদের অভিভাবকদের মুচলেকার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে।”
উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই মার্কেটিং বিভাগের এবং ৬ জুলাই নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের সিনিয়রদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের অভিযোগ করেন।