জার্মানবাংলা ডেস্ক: আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত এক ধর্মীয় সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৮০ জন।
আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। তাই মঙ্গলবারের এ হামলায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে এটিই সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় কাবুলের বিমানবন্দর সড়কের উরানাস ওয়েডিং প্যালেস মিলনায়তনে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মদিন উপলক্ষে এক ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে সহস্রাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশের ভিড়ের মধ্যে ঢুকে বোমা হামলা চালান এক আত্মঘাতী হামলাকারী।
আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাজিব দানেশ বলেন, অনুষ্ঠান চলাকালে একজন আত্মঘাতী হামলাকারী তার সঙ্গে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটালে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে শতাধিক আলেমও উপস্থিত ছিলেন বলে তিনি জানান।
তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এ হামলার জন্য জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটকে দায়ী করা হচ্ছে।
আফগানিস্তানের আরেক জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান এক হোয়াটস আপ ম্যাসেজে এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে।
এদিকে এই হামলার পর বুধবার একদিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ।
তিনি এ হামলার নিন্দা করে টুইটারে একটি পোস্টও দিয়েছেন। সূত্র: আল জাজিরা