শিরোনাম :
২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী:স্বাক্ষরিত হতে পারে একাধিক সমঝোতা স্মারক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফ্রান্সের পর এবার উত্তাল ইতালি: ব্যয়বৃদ্ধি ও বাড়তি করের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র বিভিন্ন শহর, আহত ১৪১ পুলিশ রাশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার নির্মাতাদের অংশগ্রহণে নিংপোতে যুব চলচ্চিত্র সপ্তাহ মেকং নদীপথের সার্বিক সুরক্ষায় চীন, লাওস, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সমন্বিত উদ্যোগ পণ্য আমদানিকারক ও বহুজাতিক ব্র্যান্ডগুলোর অন্যতম আস্থার কেন্দ্র চীনের ক্যান্টন মেলা মধ্যপ্রাচ্যের ১২ দেশে মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ফ্রান্সে ব্যয়বৃদ্ধিবিরোধী বিক্ষোভ রূপ নিল ভয়াবহ দাঙ্গায়: ব্যর্থতা স্বীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, পদত্যাগপত্র নাকচ মাখোঁর জাপানে কর্মসংস্থানে ঐতিহাসিক চুক্তি: আগামী ১ এপ্রিল থেকে কর্মী নিয়োগ শুরু, মিলবে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সুযোগ

কপোতাক্ষ নদের সেতুর সংযোগ সড়কে ভাঙন, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আরিফুজ্জামান আরিফ বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছার জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সেতুর পাশের রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় সেতুটি ব্যবহারে দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেতুটি নির্মাণের পরপরই তার পার্শ্বরাস্তায় দেখা দেয় ভাঙন। সেই ভাঙন এখন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

গত কয়েক দিনের বর্ষায় সেতুর মুল অংশের কাছাকাছির একটি অংশ ভেঙ্গে মিশে গেছে কপোতাক্ষ নদে। তারপরও পথচারীসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল করছে এই সেতুর উপর দিয়ে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুর পার্শ্বরাস্তা মেরামত করা না হলে সেখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, উপজেলার নারায়নপুর ও হাকিমপুর ইউনিয়নসহ এলাকার হাজার হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম নারায়নপুরে কপোতাক্ষ নদের উপর সেতু। দেশ বিভাগের পরও এই স্থানটি দিয়ে মানুষ খেয়া পারাপার হতো। অসহনীয় দুর্ভোগ সহ্য করে মানুষ প্রতিদিন তার গন্তব্যে পৌঁছাতো।

স্বাধীনতার পর যতবার নির্বাচন হয়েছে প্রতিটি নির্বাচনে এ জনপদের মানুষের প্রাণের দাবি ছিল আমরা কিছুই চাইনা, শুধু চাই কপোতাক্ষ নদের উপর একটি সেতু। মানুষের কষ্টের দিক বিবেচনা করে বিগত চারদলীয় জোট সরকার খেয়াপারাপারের স্থানে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করে। ওই সরকারের মেয়াদে কাজ শেষ না হওয়ায় পরবর্তী সরকারের আমলেও কাজ বছরের পর বছর বন্ধ থাকে।

একপর্যায় বর্তমান সরকারের প্রথম দিকে সেতুটি পুনরায় নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। দীর্ঘ দিন সেতুর কাজ শেষ করে নির্মাণ করা হয় পার্শ্বরাস্তা। পার্শ্ব রাস্তার কাজ শেষে সেতুটির উপর দিয়ে চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। কিন্তু বছর যেতে না যেতেই সেতুর পূর্ব পাশের পাশ্বরাস্তায় দেখা দেয় ভাঙন। প্রথম দিকে এই ভাঙ্গন অল্প হলেও বর্তমানে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

বিশেষ করে সেতু থেকে শুরু পাশ্ব রাস্তার দুই পাশ দিয়ে যে খুঁটি নির্মাণ করা হয়েছে ভাঙনের কারনে সেটিও সড়কের পাশে পুকুর ও ডোবায় যেয়ে মিশে গেছে। মুল সেতুর দুই পাশে প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুই পাশই বর্তমানে ভাঙনের কবলে পড়েছে। সড়কের ইট খোয়া পিচ বালু সব কিছুই এখন সড়কের পাশে পুকুরের পানিতে যেয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনের বর্ষনে সেতুর পূর্ব পাশে মুল সেতু সংলগ্নের সড়কে দেখা দিয়েছে ভাঙন। বিশাল একটি অংশ ইতোমধ্যে ভেঙ্গে কপোতাক্ষের গর্ভে চলে গেছে। এই অবস্থার কোন উন্নতি না হলে সেতুতে উঠার সড়ক পুরোটাই ভেঙ্গে মিশে যাবে কপোতাক্ষে। বর্তমান ভাঙন স্থান দিয়ে অত্যান্ত শতর্কতার সাথে যানবাহনসহ পথচারীরা পারাপার হচ্ছেন।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা গেছে, নারায়নপুরে কপোতাক্ষ নদের উপর নির্মিত সেতুটি মুল সড়ক থেকে অনেক উঁচু। মুল সেতুতে উঠা নামা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তারপর পার্শ্বরাস্তা যে ভাবে ভাঙতে শুরু করেছে, তাতে ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। খোজ নিয়ে জানা গেছে, সেতুর দুই পাশের পাশ্বরাস্তা সেতুর সাথে মিল করে নির্মাণ করতে যেয়ে সড়কও উঁচু করতে হয়েছে।

সড়কগুলো যেভাবে উঁচু করা হয়েছে তার পাশের মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখার জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সেতুর পূর্ব পাশের সড়কের দুই ধারে রয়েছে পুকুর। অল্প বৃষ্টিতেই সড়কের মাটি ভেঙে পুকুরে চলে যাচ্ছে। অনুরুপ ভাবে সেতুর পশ্চিম পাশের সড়কও ভেঙ্গে চলে যাচ্ছে নিচু এলাকায়। এই ভাঙন রোধে দরকার দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা।

স্থানীয়দের স্বপ্নের কাঙ্ক্ষিত সেতুটি এক সময় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়বে। এলাকাবাসি সেতুটি রক্ষায় পার্শ্বরাস্তা দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD