শিরোনাম :
মোদির সঙ্গে মুখোমুখি প্রকাশ্য বিতর্কের চ্যালেঞ্জ রাহুলের: বিচারক হিসেবে মোহন ভাগবতের নাম প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বাজিমাত বাংলাদেশি আমেরিকানদের: জর্জিয়া, কানেকটিকাট ও নিউ হ্যাম্পশায়ারে জয় গঠনমূলক ও স্থিতিশীল সম্পর্কের স্বার্থে অভিন্ন লক্ষ্যে জোর দেওয়ার আহ্বান সিয়ে ফেংয়ের আমদানি মেলার হাত ধরে বৈশ্বিক বাণিজ্যে স্থিতিশীলতার বার্তা দিচ্ছে চীন: জরিপের ফলাফল সিপিসি ও বিএনপির পারস্পরিক আদান-প্রদান বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্পর্কের বহুমাত্রিক রূপরেখা মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কার পর হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প: অভিশংসনের পথে হাঁটলে ডেমোক্র্যাট পার্টিই ধ্বংস হবে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ক্যারিবীয়দের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই একদিনের সফরে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ৪ হাজার কোটি টাকার জেটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: স্পিকার সাংবাদিকদের মতামতের ভিত্তিতে সাইবার সুরক্ষা আইন চূড়ান্ত হচ্ছে: গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির নীতিগত সিদ্ধান্ত

আমদানি মেলার হাত ধরে বৈশ্বিক বাণিজ্যে স্থিতিশীলতার বার্তা দিচ্ছে চীন: জরিপের ফলাফল

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

নবম চীন আন্তর্জাতিক আমদানি মেলা (সিআইআইই) উপলক্ষে, সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপের সিজিটিএন ও চীনের রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে ‘২০২৬ সালের বৈশ্বিক উন্মুক্তকরণ পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক অনলাইন জনমত জরিপ পরিচালনা করে। এতে অংশগ্রহণকারীরা চীনের উচ্চমানের উন্মুক্তকরণ কার্যক্রমের ব্যাপক ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছেন।

বিশ্বের ৪৪টি দেশের ২০ হাজার ১০০ জন নেটিজেন এই জরিপে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা সাধারণভাবে মনে করেন, বিশ্বে উন্মুক্ত পরিবেশ ক্রমেই আরও জটিল ও কঠিন হয়ে উঠছে। বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ বাড়লেও, ভূরাজনৈতিক সংঘাত বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত পরিবেশের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জরিপে অংশগ্রহণকারীরা চীন আন্তর্জাতিক আমদানি মেলা আয়োজনের মাধ্যমে উচ্চমানের উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তাঁদের মতে, নানা অস্থিরতা ও পরিবর্তনে ভরা বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে এই উদ্যোগ বিশ্বকে স্থিতিশীলতার বাড়তি আস্থা জোগাচ্ছে।

বিশ্বের উন্মুক্ত পরিবেশ সম্পর্কে মূল্যায়নে দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ সবচেয়ে বেশি। বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর উত্তরদাতাদের মধ্যে এ বিষয়ে ইতিবাচক অভিজ্ঞতার হার ৬৫.৫ শতাংশ। ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী তরুণ উত্তরদাতারা উন্মুক্ত পরিবেশ সম্পর্কে সবচেয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা সহজ করার ক্ষেত্রে ‘বাণিজ্য ও সহযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক উপাদান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে, ৮১.৪ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ভূরাজনৈতিক সংঘাত বৈশ্বিক উন্মুক্ত পরিবেশের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা। প্রায় ৬০ শতাংশ উত্তরদাতা বড় দেশগুলোর একতরফা চাপ প্রয়োগ ও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপকে অন্যতম প্রধান অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ভবিষ্যতের উন্মুক্ত পরিবেশের সম্ভাবনা নিয়ে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর উত্তরদাতারা তুলনামূলকভাবে বেশি আশাবাদী; তাঁদের মধ্যে আগামী এক থেকে তিন বছরে বিশ্ব আরও উন্মুক্ত হবে বলে বিশ্বাস করার হার উন্নত দেশগুলোর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

চলতি বছর চীনের পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার সূচনা বছর। উচ্চমানের উন্মুক্তকরণ সক্রিয়ভাবে সম্প্রসারণে চীন বেশ কয়েকটি বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলের অকুণ্ঠ প্রশংসা পেয়েছে। বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর উন্মুক্তকরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের অভিজ্ঞতা থেকে কোন দেশের অভিজ্ঞতা সবচেয়ে বেশি অনুসরণযোগ্য—এমন প্রশ্নে ৪২.৭ শতাংশ উত্তরদাতা চীনকে বেছে নিয়ে তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। এ ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্বীকৃতি ও প্রশংসার হার তুলনামূলকভাবে আরও বেশি। জরিপে আরও দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন চীনের অর্থনৈতিক শক্তি অত্যন্ত সুদৃঢ় এবং দেশটির উন্নয়নের গতি অত্যন্ত দ্রুত। ৮৪.৬ শতাংশ উত্তরদাতার মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের অবদান অনস্বীকার্য। প্রায় ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, নানামুখী বৈশ্বিক ঝুঁকি ও সংকট মোকাবিলায় চীনের অর্থনীতির অনন্য সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি সহনশীলতা রয়েছে।

চীনের উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণের বহুমুখী উদ্যোগের মধ্যে নিজস্ব বিশাল বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধি এবং সম্প্রসারিত ভিসামুক্ত নীতি বিশ্বজুড়ে উত্তরদাতাদের মনে সবচেয়ে গভীর প্রভাব ফেলেছে। চীন আন্তর্জাতিক আমদানি মেলা শীর্ষ পাঁচটি উল্লেখযোগ্য বৈশ্বিক উদ্যোগের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতার আগ্রহ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে, ৬৫.৬ শতাংশ উত্তরদাতা চীনের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন।

সূত্র: শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD