শিরোনাম :
মানুষের কল্যাণেই বিএনপির রাজনীতি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ​ধলপুরে ডিএসসিসির সাপ্তাহিক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও আধুনিক যানবাহন হস্তান্তর সম্পন্ন গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনায় যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে গাছা খাল পুন:খনন কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে বিএনপি সরকার: কৃষিমন্ত্রী জনগণের আস্থা অর্জনই ডাক বিভাগের প্রধান লক্ষ্য: ফকির মাহবুব আনাম বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের মধ্যপ্রাচ্য-বিষয়ক বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব ইউরোপে: উরসুলা ভন ডার লিয়েনের সতর্কবার্তা ইরানের মানবিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনা রেড ক্রসের সহায়তা উত্তর কোরিয়া পূর্ব সাগরে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, দক্ষিণ কোরিয়া সতর্ক

সম্পাদকীয়: একুশের পথ ধরে-ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় অগ্রযাত্রার নতুন প্রত্যয়

সম্পাদকীয়:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সম্পাদকীয়:ফেব্রুয়ারির প্রভাত মানেই আমাদের অহংকার ও আত্মমর্যাদার মাস। ১৯৫২ সালের এই মাসেই মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় অকাতরে প্রাণ দিয়েছিলেন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ অগণিত ভাষা-সৈনিক। তাদের আত্মত্যাগেই আমরা পেয়েছি বাংলা ভাষার মর্যাদা, পেয়েছি জাতিসত্তার পরিচয়। আজ সেই একুশের চেতনা আবারও নতুন আলোয় উদ্ভাসিত হলো প্রধানমন্ত্রীর হাতে একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

মহান একুশে পদক শুধু একটি সম্মাননা নয়; এটি দেশের সাহিত্য, গবেষণা, সংস্কৃতি, শিল্প, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে এগিয়ে নেওয়া মানুষের জন্য রাষ্ট্রের কৃতজ্ঞতার প্রতীক। আজকের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে শ্রদ্ধাভরে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্মানিত করলেন, তা ভাষা আন্দোলনের অনন্ত মূল্যবোধকে আরও দৃঢ়ভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।

এর পাশাপাশি আজ উদ্বোধন হলো অমর একুশের বইমেলা—যে মেলা শুধু বইয়ের সমাবেশ নয়, আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ। বাংলা একাডেমি চত্বরে জমে ওঠা এই সাহিত্য উৎসব প্রতিবছরই বাঙালির চিরায়ত সৃজনশীল মননকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। বইমেলা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয়, ভাষার বিকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হলো সাহিত্য—এবং পাঠক ও লেখকের মধ্যকার চিরন্তন সেতুবন্ধন।

এ বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারও প্রদান করা হয়েছে, যা জাতীয় সাহিত্যচর্চাকে আরও সমুজ্জ্বল করবে। পুরস্কারপ্রাপ্তদের অবদানে ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ যেমন সমৃদ্ধ হবে, তেমনই নতুন প্রজন্মের লেখকদের সামনে উজ্জ্বল অনুপ্রেরণার পথও খুলে দেবে।

একুশ আমাদের শেখায় আত্মত্যাগ, সত্যের প্রতি অবিচলতা আর জাতীয় মূল্যবোধ রক্ষার শক্তি। তাই শুধু শোক নয়—এটি আমাদের গৌরবের প্রত্যয়ও। আজকের এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলো ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক চেতনাকে আরও জীবন্ত করে তুলেছে এবং মনে করিয়ে দিয়েছে—আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যকে এগিয়ে নেওয়া সবার দায়িত্ব।

মহান একুশের চেতনাকে ধারণ করে আমরা যেন এগিয়ে যেতে পারি ন্যায়, মানবতা ও জ্ঞানচর্চার পথে—এটাই হোক আজকের অঙ্গীকার।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD