শিরোনাম :
প্রথম ফুটবলার হিসেবে স্পেনের ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ সম্মাননা নিচ্ছেন মেসি ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় সম্মতি পুতিনের ভবিষ্যতে বিক্ষোভ না করার মুচলেকায় ৭ দিন পর মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে সেন্ট পিটার্সবার্গে চীন-রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মেলন অর্থনৈতিক গতিশীলতা ও পর্যটন প্রসারে সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সুফল পাচ্ছে চীন সাত দশকের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যে চীনের কেন্দ্রীয় সমাজতন্ত্র ইনস্টিটিউট আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে নতুন মাত্রা যোগ করল ‘আফ্রিকায় উচু অপেরা’ ২২৭ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘চামপি’: তাইওয়ানে জারি সতর্কতা, ফ্লাইট বাতিল ও সামরিক মহড়া ব্যাহত ‘সমাজের নিকৃষ্টরাই এমপি-মন্ত্রী হন, দুর্নীতিবাজরা হন নেতা’: তজুমদ্দিনে ক্ষোভ প্রকাশ স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের জলবায়ুর অভিঘাতে ২০৫০ সালের মধ্যে বাস্তুচ্যুত হতে পারে বাংলাদেশের ১ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ: এডিবি

যুক্তরাষ্ট্রে রাজা চার্লসের সফর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

ছবি: রয়টার্স।

রাজা তৃতীয় চার্লসের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরটি কেবল সৌজন্য বা ঐতিহাসিক উদযাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—এর পেছনে রয়েছে এক জটিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের অবস্থানগত ভিন্নতা এবং প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনা এই সফরকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থানের পার্থক্য লন্ডন–ওয়াশিংটন সম্পর্কে কিছুটা শীতলতা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে অভিবাসন ও জ্বালানি নীতি নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনা দুই দেশের রাজনৈতিক আলোচনাকে আরও জটিল করেছে। অতীতে ট্রাম্প ব্রিটিশ নেতৃত্ব নিয়ে কটাক্ষ করে সম্পর্কের দূরত্বের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন ৭৭ বছর বয়সী রাজা চার্লস, যিনি রাজকীয় কূটনীতিতে অভিজ্ঞ হিসেবে পরিচিত। তবে সফরকে ঘিরে আরও একটি বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে—তার ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত অভিযুক্ত জেফরি এপস্টিনের সম্পর্ক। এপস্টিন ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই ব্রিটিশ রাজপরিবারের জন্য বিব্রতকর একটি অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। সম্প্রতি নতুন কিছু তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে চাপ সৃষ্টি করে। ব্রিটিশ ও মার্কিন প্রশাসন চাইছে সফরটি যেন কোনো ধরনের বিতর্কে না জড়ায়। তাই বৈঠক ও অনুষ্ঠানগুলো অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিতভাবে সাজানো হয়েছে, এমনকি হোয়াইট হাউসের বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রবেশও সীমিত রাখা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর একদিকে যেমন ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ককে নতুনভাবে উপস্থাপনের সুযোগ, অন্যদিকে তেমনি একাধিক রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিতর্কের ছায়াও এতে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD