শিরোনাম :
মানুষের কল্যাণেই বিএনপির রাজনীতি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ​ধলপুরে ডিএসসিসির সাপ্তাহিক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও আধুনিক যানবাহন হস্তান্তর সম্পন্ন গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনায় যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে গাছা খাল পুন:খনন কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে বিএনপি সরকার: কৃষিমন্ত্রী জনগণের আস্থা অর্জনই ডাক বিভাগের প্রধান লক্ষ্য: ফকির মাহবুব আনাম বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের মধ্যপ্রাচ্য-বিষয়ক বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব ইউরোপে: উরসুলা ভন ডার লিয়েনের সতর্কবার্তা ইরানের মানবিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনা রেড ক্রসের সহায়তা উত্তর কোরিয়া পূর্ব সাগরে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, দক্ষিণ কোরিয়া সতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা:সিজিটিএন জরিপ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মার্কিন সময় ২০ ফেব্রুয়ারি, দেশটির সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বমূলক শুল্কনীতি প্রত্যাখ্যান করে। যার ফলে, বর্তমান মার্কিন শুল্ক হার ১৯৪০-এর দশকের পর থেকে সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, গত বছর মার্কিন পণ্যবাণিজ্য ঘাটতি ১২৪ হাজার ৯০ কোটি ডলারে পৌঁছায়, যা একটি নতুন রেকর্ড। বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য স্থাপিত সর্বোচ্চ শুল্কের প্রভাবে সবচেয়ে বড় ঘাটতি ঘটে। চায়না মিডিয়া গ্রুপের সিজিটিএন-এর এক জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৯৪.৯ শতাংশ মনে করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রথম’ নীতির অধীনে শুল্ক নীতিমালা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে শুল্কনীতির তিনটি লক্ষ্য রয়েছে: বিদেশি পণ্যের উপর নির্ভরতা হ্রাস করা, দেশীয় বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা, এবং উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থানের ক্রমহ্রাসমান প্রবণতা পরিবর্তন করা।

এই নীতি বাস্তবায়িত করার এক বছরের মধ্যে, তিনটি লক্ষ্য পূরণ হয়নি। গত বছর থেকে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের কয়েক ডজন দেশের পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে, কিন্তু বাণিজ্য ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, মার্কিন পণ্য ও পরিষেবার বাণিজ্য ঘাটতি ৭ হাজার ৩০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। শুল্কনীতির প্রভাবে, মার্কিন উদ্যোক্তারা তাদের অর্ডার রুটগুলি সামঞ্জস্য করেছে এবং সরবরাহ-শৃঙ্খল পুনর্গঠন করেছে, কিন্তু এখনও বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন লাইনগুলি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আসেনি।

গত বছর, মার্কিন উৎপাদন শিল্পে ৮০ হাজারেরও বেশি কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়। শুল্ক ব্যবস্থা শুধু ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দেশীয় অর্থনৈতিক নীতি নয়, বরং অন্য দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুপ্রিম কোর্টের রায় হবার পর, ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম মার্কিন সরকারকে অবিলম্বে রিফান্ড চেক জারি এবং সুদ প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বর্তমান সাধারণ শুল্কের ভিত্তিতে সারা বিশ্ব থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি পণ্যের ওপর ১৫০ দিনব্যাপী ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। জরিপে ৮৮ শতাংশ উত্তরদাতা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতিতে বাণিজ্য নিয়মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সমালোচনা করেন; ৯২.০ শতাংশ উত্তরদাতা বলেন, মার্কিন সরকারের শুল্কনীতিতে ঘন ঘন পরিবর্তিত হয়েছে এবং শুল্ক নীতির অনিশ্চয়তা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলবে; ৯৭ শতাংশ উত্তরদাতা মার্কিন শুল্কনীতির নিন্দা করেন, কারণ এটি সমস্ত দেশের বৈধ অধিকার ও স্বার্থের গুরুতর লঙ্ঘন করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় ধ্বংসকারী।

উল্লেখ্য, এই জরিপ সিজিটিএন ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি ও রাশিয়ান প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হওয়ার পর, ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১০ হাজার ৪৪৫ জন উত্তরদাতা অংশগ্রহণ করেন।

সূত্র:অনুপমা-আলিম-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD