শিরোনাম :
নিরাপত্তাজনিত কারণে জিয়াউল আহসানের বিচার হবে ভার্চুয়ালি অভিবাসীদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে আসছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল: আইনমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সরকারের জবাবদিহিতায় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান স্বেচ্ছাসেবকদের সুরক্ষায় আইনের তাগিদ : আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে রাষ্ট্রপতি মি অটোমেশন দ্রুত ও নির্ভুল করার তাগিদ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর; পাশে থাকার আশ্বাস ইউএনডিপির অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড আন্তর্জাতিক সংলাপে নগর-উন্নয়নের ভবিষ্যৎ রূপরেখা: হ্যনানে সফল সমাপ্তি বিশ্ব মেয়র সম্মেলন রোহিঙ্গা উপস্থিতি অর্থনীতি ও পরিবেশে বড় চাপ: কানাডার প্রতিমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে নজরুলের দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান: মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী অবৈধ অভিবাসনে ‘জিরো টলারেন্স’: ইইউ কমিশনারের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

টিসিএম চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশে

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

ঢাকায় ‘ক্যান্সার ও চিকিৎসা কার্যক্রমে ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গেল রোববার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইড সায়েন্সেস—নিনমাস-এর অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় সেমিনারটি।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন চীনের শাংহাই ইউনিভার্সিটি অব ট্র্যাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন-এর বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে নিনমাসের অধ্যাপক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আবাসিক চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ক্যান্সার চিকিৎসায় ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা পদ্ধতির ভূমিকা এবং আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে এর সমন্বয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
প্রাচীন চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি বা টিসিএম, ক্যান্সারকে শরীরের ভারসাম্যহীনতার ফল হিসেবে দেখে। বিশেষ করে ছি, রক্ত, ইয়িন-ইয়াং এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতার মধ্যে অসামঞ্জস্য ক্যান্সারের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়।

টিসিএমের মতে, দেহে দীর্ঘস্থায়ী ছি-রোধ, রক্তজমাট, আর্দ্রতা ও কফ জমা এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার দুর্বলতা টিউমারের উৎপত্তির মূল কারণ। মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস ও পরিবেশগত প্রভাবও এতে ভূমিকা রাখে।

সেমিনারে প্রফেসররা দেখান, কীভাবে টিসিএম চিকিৎসায় রোগীর সামগ্রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

লাইসেন্সড চাইনিজ মেডিসিন ডাক্তার ইয়ি লি বলেন, “চীনে এখন পাশ্চাত্য চিকিৎসা এবং ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা একসাথে ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশেও আমরা চাই মানুষ এই পদ্ধতি সম্পর্কে জানুক এবং এর উপকারিতা অনুভব করুক। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের মধ্যে আরও যোগাযোগ, ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে এই সহযোগিতা শুরু করা যেতে পারে।”

শাংহাই ইউনিভার্সিটি অব ট্র্যাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন-এর স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর ডিন প্রফেসর ড. হাইলেই চাও বলেন, “প্রাচীন চীনা চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকর, সাশ্রয়ী এবং দক্ষ। ১৯৫০-৬০-এর দশকে যখন চীনে পর্যাপ্ত ওষুধ ছিল না, তখন ভেষজ ওষুধ ও আকুপাংচার মানুষকে অনেক উপকার করেছিল। আমরা চাই, এই পদ্ধতি বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা হোক।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিসিএম এককভাবে ব্যবহার করা হলেও, আধুনিক চিকিৎসার সঙ্গে সমন্বয় করলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব। সেমিনারে চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসা পদ্ধতি ও পরীক্ষা নীরিক্ষার ধরন তুলে ধরেন। পরে বাংলাদেশি কয়েকজনের উপর আকুপাংচারের অংশ বিশেষ প্রয়োগ করে দেখান চীনা ডাক্তাররা।

বাংলাদেশে এই পদ্ধতি নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করলে মেডিকেল ছাত্ররা সরাসরি চীনে বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতাল থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাচীন চীনা চিকিৎসাবিদ্যা শুধু চিকিৎসার পরিপূরক নয়, বরং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার একটি কার্যকর পদ্ধতি। বাংলাদেশে এই পদ্ধতির উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা আরও সমৃদ্ধ হতে পারে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বও দৃঢ় হতে পারে বলে মনে করেন দুই দেশের চিকিৎসকরা।

সূত্র:ঐশী-জেনিফার-ফয়সল,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD