শিরোনাম :
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা- তথ্য প্রবাহ ও স্বচ্ছতার ঝুঁকি সৃষ্টি করবে: টিআইবি ইরানে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির বিরুদ্ধে নতুন সাজার রায় ফ্রাঙ্কফুর্টে নারায়ণগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল পিঠা উৎসব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অপরিণামদর্শী পদক্ষেপের ফলে গণভোট নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক : টিআইবি ঢাকা মহানগরের ভোটগ্রহণের আগে-পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টা সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চার দিনের টানা ছুটি: স্বস্তিতে সরকারি কর্মচারীরা নির্বাচন উপলক্ষে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর কঠোর নিরাপত্তা জোরদার: দুর্গম ২৭টি ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন দেশীয় কারখানায় তৈরি এসি বাস: আত্মনির্ভরতার পথে বিআরটিসি জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অ্যাম্বিয়েন্টা ফেয়ার ২০২৬-এ বাংলাদেশের উজ্জ্বল উপস্থিতি

টিসিএম চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশে

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

ঢাকায় ‘ক্যান্সার ও চিকিৎসা কার্যক্রমে ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গেল রোববার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইড সায়েন্সেস—নিনমাস-এর অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় সেমিনারটি।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন চীনের শাংহাই ইউনিভার্সিটি অব ট্র্যাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন-এর বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে নিনমাসের অধ্যাপক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আবাসিক চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ক্যান্সার চিকিৎসায় ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা পদ্ধতির ভূমিকা এবং আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে এর সমন্বয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
প্রাচীন চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি বা টিসিএম, ক্যান্সারকে শরীরের ভারসাম্যহীনতার ফল হিসেবে দেখে। বিশেষ করে ছি, রক্ত, ইয়িন-ইয়াং এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতার মধ্যে অসামঞ্জস্য ক্যান্সারের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়।

টিসিএমের মতে, দেহে দীর্ঘস্থায়ী ছি-রোধ, রক্তজমাট, আর্দ্রতা ও কফ জমা এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার দুর্বলতা টিউমারের উৎপত্তির মূল কারণ। মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস ও পরিবেশগত প্রভাবও এতে ভূমিকা রাখে।

সেমিনারে প্রফেসররা দেখান, কীভাবে টিসিএম চিকিৎসায় রোগীর সামগ্রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

লাইসেন্সড চাইনিজ মেডিসিন ডাক্তার ইয়ি লি বলেন, “চীনে এখন পাশ্চাত্য চিকিৎসা এবং ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা একসাথে ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশেও আমরা চাই মানুষ এই পদ্ধতি সম্পর্কে জানুক এবং এর উপকারিতা অনুভব করুক। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের মধ্যে আরও যোগাযোগ, ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে এই সহযোগিতা শুরু করা যেতে পারে।”

শাংহাই ইউনিভার্সিটি অব ট্র্যাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন-এর স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর ডিন প্রফেসর ড. হাইলেই চাও বলেন, “প্রাচীন চীনা চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকর, সাশ্রয়ী এবং দক্ষ। ১৯৫০-৬০-এর দশকে যখন চীনে পর্যাপ্ত ওষুধ ছিল না, তখন ভেষজ ওষুধ ও আকুপাংচার মানুষকে অনেক উপকার করেছিল। আমরা চাই, এই পদ্ধতি বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা হোক।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিসিএম এককভাবে ব্যবহার করা হলেও, আধুনিক চিকিৎসার সঙ্গে সমন্বয় করলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব। সেমিনারে চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসা পদ্ধতি ও পরীক্ষা নীরিক্ষার ধরন তুলে ধরেন। পরে বাংলাদেশি কয়েকজনের উপর আকুপাংচারের অংশ বিশেষ প্রয়োগ করে দেখান চীনা ডাক্তাররা।

বাংলাদেশে এই পদ্ধতি নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করলে মেডিকেল ছাত্ররা সরাসরি চীনে বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতাল থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাচীন চীনা চিকিৎসাবিদ্যা শুধু চিকিৎসার পরিপূরক নয়, বরং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার একটি কার্যকর পদ্ধতি। বাংলাদেশে এই পদ্ধতির উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা আরও সমৃদ্ধ হতে পারে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বও দৃঢ় হতে পারে বলে মনে করেন দুই দেশের চিকিৎসকরা।

সূত্র:ঐশী-জেনিফার-ফয়সল,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD